27 C
Dhaka
মঙ্গলবার, মে ১১, ২০২১
spot_img
[bangla_date]

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাদীপ্ত সংস্কৃতির রাজধানী – ব্রাহ্মণবাড়িয়া

শিল্প-সংস্কৃতি, শিক্ষা-সাহিত্যে দেশের অন্যতম অগ্রণী জনপদ এবং নদী-মাতৃক বাংলাদেশের মধ্য-পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী তিতাস-বিধৌত জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া যা চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত একটি জেলা। ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বলা হয় বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী।

সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ, ব্যারিস্টার এ রসুল, নবাব স্যার সৈয়দ শামসুল হুদা, কথা সাহিত্যিক অদ্বৈত মল্ল বর্মণ, কবি আবদুল কাদির, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তসহ বহু জ্ঞানী গুনীর জন্মধন্য জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। উপমহাদেশের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে যাদের অবদান অসীম। পুতুল নাচের জন্যও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিখ্যাত। ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম পুতুল নাচের প্রচলন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের বিপিন পাল। এই জেলা শিল্প সংস্কৃতির ধারক ও বাহক এবং দলমত নির্বিশেষে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল মিলন মেলা হিসেবে এ দেশের মানচিত্রে বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দক্ষিণে কুমিল্লা জেলা, পশ্চিমে নারায়ণগঞ্জ জেলা, নরসিংদী জেলা ও কিশোরগঞ্জ জেলা; উত্তরে কিশোরগঞ্জ জেলা ও হবিগঞ্জ জেলা এবং পূর্বে হবিগঞ্জ জেলা ও ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ অবস্থিত। আয়তন ১৯২৭.১১ বর্গ কিলোমিটার। মোট জনসংখ্যা ২৮,৪০,৪৯৮। এ জেলা ৯টি উপজেলা, ৯টি থানা, ৫টি পৌরসভা, ১০০টি ইউনিয়ন, ৯৯৩টি মৌজা, ১৩৩১টি গ্রাম ও ৬টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত। উপজেলাগুলো হচ্ছে- আশুগঞ্জ, আখাউড়া, নবীনগর, নাসিরনগর, কসবা, বাঞ্ছারামপুর, সরাইল, বিজয় নগর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর।

মুঘল আমলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মসলিন কাপড় তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল। এ জেলার বিখ্যাত মিষ্টান্নের মধ্যে ছানামুখী অন্যতম, যা দেশের অন্য কোন অঞ্চলে তেমন প্রচলন নেই। এছাড়া তালের রস দিয়ে তৈরি আরেকটি মিষ্টান্ন তালের বড়া ও রসমালাই বিখ্যাত। লোকসংস্কৃতি হিসেবে জারি গান, সারি গান, বাউল গান, কবি গান, যাত্রা গান, পালা গান, আধ্যাত্মিক গান, লোকসঙ্গীত, প্রবাদ-প্রবচন, ধাঁধা, ছড়া, পুঁথি, কিচ্ছা-কাহিনী উল্লেখযোগ্য।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নামকরণ নিয়ে একাধিক মত রয়েছে। শোনা যায়, সেন বংশের রাজত্বকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিজাত ব্রাহ্মণকুলের অভাবে পূজা-অর্চনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হতো। এ কারণে রাজা লক্ষণ সেন আদিসুর কন্যকুঞ্জ থেকে কয়েকটি ব্রাহ্মণ পরিবারকে এ অঞ্চলে নিয়ে আসেন। তাদের মধ্যে কিছু ব্রাহ্মণ পরিবার শহরের মৌলভী পাড়ায় বাড়ী তৈরী করে। সেই ব্রাহ্মণদের বাড়ীর অবস্থানের কারণে এ জেলার নামকরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয় বলে অনেকে বিশ্বাস করেন।অন্য একটি মতানুসারে দিল্লী থেকে আগত ইসলাম ধর্ম প্রচারক শাহ সুফী হযরত কাজী মাহমুদ শাহ এ শহর থেকে উল্লেখিত ব্রাহ্মণ পরিবার সমূহকে বেরিয়ে যাবার নির্দেশ প্রদান করেন , যা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ত্রিপুরা জেলার অর্ন্তভূক্ত ছিল। ভারত বিভাগের পর কুমিল্লা জেলার একটি মহকুমা হিসেবে থাকে। ১৯৮৪ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারী জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ড, সালদা গ্যাস ফিল্ড, মেঘনা গ্যাস ফিল্ড দেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ যোগায়। আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের ২য় বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। আশুগঞ্জ সার কারখানা দেশের ইউরিয়া সারের অন্যতম বৃহত্তম শিল্প কারখানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তাঁত শিল্প বিখ্যাত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ড দেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ করে। আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র। আশুগঞ্জ সার কারখানা দেশের ইউরিয়া সারের অন্যতম বৃহত্তম শিল্প কারখানা। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া বন্দর। এ বন্দরের মাধ্যমে ভারতে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয়। এটি ১৯৯৪ সালে স্থাপিত হয়। এখানে বিসিক শিল্পনগরী স্থাপিত হয় ১৯৮৫ সালে।

ঐতিহ্যবাহী উৎসব

নৌকা বাইচ – ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে শত বছর যাবত ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। প্রতিবছর মনসা পূজা উপলক্ষে ভাদ্র মাসের প্রথম তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

  • আসিল মোরগ লড়াই – ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এই ঐতিহ্যবাহী মোরগ লড়াই অনুষ্ঠিত হয়
  • গরুর দৌড় – বাঞ্ছারামপুর থানার রূপসদী গ্রামে এই ঐতিহ্যবাহী গরুর দৌড় অনুষ্ঠিত হয়
  • ভাদুঘরের বান্নী (মেলা) – ভাদুঘর তিতাস নদীর তীরে মেলা অনুষ্ঠিত হয়
  • খড়মপুর কেল্লাশাহ (র) মাজার শরীফ এর বার্ষিক ওরশ
  • চিলোকুট গ্রামে সৈয়দ আঃ রউফ (রঃ) এর ওরশ

 

দর্শনীয় স্থান সমূহ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহীদ স্মৃতিসৌধ অবকাশ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • সৌধ হিরন্ময়,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • কাজী মাহমুদ শাহ(র.)এর মাজার শরীফ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • কালভৈরব মূর্তি (১৯০০ শতাব্দী, উচ্চতা ২৮ ফুট),ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • জামিয়া শারইয়্যাহ সিরাজুল উলূম, সিরাজবাগ, রহিমপুর
  • উলচাপাড়া জামে মসজিদ (১৬০০ শতাব্দী),ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • ভাদুঘর শাহী জামে মসজিদ (১৬৬৩ খ্রীষ্টাব্দ)
  • তিতাস নদীর নান্দনিক দৃশ্য,সদর
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু পার্ক,সদর
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ,সদর
  • লোকনাথ দীঘি,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • অদ্বৈত মল্লবর্মনের বাড়ি,গোকর্ণ ঘাট,ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ
  • আশুগঞ্জ পাওয়ার ষ্টেশন কোম্পানী লিঃ
  • মেঘনা নদী ও চর সোনারামপুরের নান্দনিক দৃশ্য,আশুগঞ্জ
  • শহীদ আব্দুল হালিম রেলওয়ে সেতু,আশুগঞ্জ
  • সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতু,আশুগঞ্জ
  • রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান ২য় রেলওয়ে সেতু,আশুগঞ্জ
  • ভাস্কর্য‘জাগ্রত বাংলা’ সারকারখানা গেইট।
  • মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ.পাওয়ার স্টেশন গেইট।
  • সম্মুখ সমর,নাটাল মাঠ,আশুগন্জ।
  • বঙ্গবন্ধু মুরাল,কাচারী বিথীকা,আশুগঞ্জ বাজার।
  • ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মুরাল,ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ ,আশুগঞ্জ।
  • দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার,ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজ, আশুগঞ্জ
  • গেছুদারাস্ত(কেল্লাশহীদ) এর মাজার শরীফ,আখাউড়া
  • বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের কবর,দরুইন,আখাউড়া
  • গঙ্গাসাগর দিঘী- আখাউড়া
  • আখাউড়া স্থলবন্দর
  • কৈলাঘর দূর্গ (কসবা), কুল্লাপাথর শহীদ স্মৃতিসৌধ,কসবা
  • মঈনপুর মসজিদ,কসবা
  • আড়িফাইল মসজিদ,সরাইল
  • ধরন্তির নান্দনিক দৃশ্য, সরাইল
  • সরাইল জামে মসজিদ (১৬৬২)
  • আনন্দময়ী কালীমূর্তি,সরাইল
  • বাসুদেব মূর্তি,সরাইল
  • হাতিরপুল ও ওয়াপদা রেস্ট হাউস,শাহবাজপুর, সরাইল
  • বাঁশী হাতে শিবমূর্তি,নবীনগর
  • কাইতলা জমিদার বাড়ী,নবীনগর
  • রুসুলপুর পুল,নবীনগর
  • হরিপুরের জমিদার বাড়ি,নাসিরনগর
  • ঘাগুটিয়ার পদ্ম বিল – আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নে অবস্থিত। এখানে ঘাগুটিয়া ও মিনারকুট নামে ২ টি বিল রয়েছে । শরৎকালে যা পদ্ম ফুলে ভরে যায় ।
  • গোকর্ণ নবাব বাড়ি কমপ্লেক্স (সৈয়দ শামসুল হুদার বাড়ি) – নাসিরনগরের গোকর্ণ গ্রামে অবস্থিত।
  • কালাছড়া চা বাগান – ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একমাত্র চা বাগান । অন্য নাম ‘হরিহর টি এস্টেট’ । বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কালাছড়া গ্রামে অবস্থিত।
  • আখাউড়া স্থল বন্দর – আগরতলা-আখাউড়া সীমান্তে বিকালে অনুষ্ঠিত (বিএসএফ) ও (বিজিবি) এর যৌথ কুচকাওয়াজ।
  • কসবা সীমান্ত হাট – কসবা উপজেলায় রয়েছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হাট ।[৯৫]
  • ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন অর্কিড প্রজেক্ট – সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে অবস্থিত।
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার লিচু বাগান
  • বিজয়নগর উপজেলার লিচু বাগান – এখানকার সবচেয়ে বড় লিচুর বাজার হল আউলিয়া বাজার ও মেরাশানী বাজার।
  • আনন্দ ভুবন -বল্লভপুর শিমরাইলের মহামিলন,রাজার খালের উপর নির্মিত ব্রীজের দু’পাশ।
  • নারুই ব্রীজ -নারুই ব্রাহ্মানহাতার তিতাস নদীর উপর নির্মিত ব্রীজের দু’পাশ, যার অপরূপ পরিবেশ দেখার জন্য পর্যটকদের আগমন ঘটে।
  • নবীনগর লঞ্চঘাট সংলগ্ন বুড়ি নদীর অপরূপ দৃশ্য
  • রূপসদী জমিদার বাড়ি
  • জয়কুমার জমিদার বাড়ি
  • হরষপুর জমিদার বাড়ি

 

কৃতি ব্যক্তিত্ব

  • অখিলচন্দ্র নন্দী –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।
  • অতীন্দ্রমোহন রায় –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।
  • অদ্বৈত মল্লবর্মণ –– ঔপন্যাসিক এবং সাংবাদিক।
  • অমর পাল –– লোকসঙ্গীত শিল্পী।
  • আনিসুল হক –– রাজনীতিবিদ এবং আইন মন্ত্রী।
  • আনোয়ার হোসেন –– বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আফতাবউদ্দিন খাঁ –– লোকসঙ্গীত এবং যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পী।
  • আবদুর রসুল –– ব্রিটিশ ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবি।
  • আবদুর রহমান –– বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আবদুর রহমান খান –– প্রাক্তন সমবায় ও পাট মন্ত্রী (পাকিস্তান শাসনামল)।[৫৪]
  • আবদুল কাদির –– একুশে পদক এবং বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত কবি, সাহিত্য সমালোচক এবং ছান্দসিক।
  • আবদুল কুদ্দুস মাখন –– রাজনীতিবিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আবদুস সাত্তার খান –– মহাকাশ গবেষক।
  • আবদুস সাত্তার ভূঞা –– রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবি।
  • আবু সালেক –– বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত কিশোর বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম –– বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রাক্তন সেনাপ্রধান।
  • আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া –– পুরাতাত্ত্বিক এবং গবেষক।
  • আবেদ হোসেন খান –– একুশে পদক প্রাপ্ত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার বাদক এবং সুরকার।
  • আল মাহমুদ –– একুশে পদক এবং বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি।
  • আলাউদ্দিন খাঁ –– সেতার এবং সানাই এবং রাগ সঙ্গীতে বিখ্যাত ঘরানার গুরু।
  • আলী আকবর খান –– ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতের একজন সঙ্গীতজ্ঞ।
  • আলী ইমাম –– বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত শিশু সাহিত্যিক।
  • আহমদ রফিক –– কবি ও গবেষক।
  • আহমেদ আলী –– রাজনীতিবিদ, ভাষা সৈনিক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • আয়েত আলী খাঁ –– মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার এবং সুরবাহার বাদক।
  • ইয়াসিন খান –– সেতার বাদক
  • উল্লাসকর দত্ত –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।
  • এ বি তাজুল ইসলাম –– রাজনীতিবিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • এম এ রহমান –– রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং চিকিৎসক।
  • কবীর চৌধুরী –– একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার এবং বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত লেখক এবং সাবেক জাতীয় অধ্যাপক।
  • কাজী আকবর উদ্দিন সিদ্দিক –– মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং গণপরিষদ সদস্য।
  • কিরীট খান –– সেতার বাদক।
  • খাদেম হোসেন খান –– সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত সঙ্গীতজ্ঞ।
  • খান মোহাম্মদ ফারাবী –– কবি ও গদ্যকার।
  • খুরশিদ খান –– সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত সঙ্গীতজ্ঞ।
  • গোপাল দেব –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।
  • জয়দুল হোসেন –– কবি
  • জোতিরিন্দ্র নন্দী –– ঔপন্যাসিক
  • তাহেরউদ্দিন ঠাকুর –– রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক।
  • তিতাস চৌধুরী –– লেখক এবং গবেষক
  • ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত –– আইনজীবি, ভাষা সৈনিক এবং রাজনীতিবিদ।
  • নবাব সৈয়দ শামসুল হুদা –– ব্রিটিশ ভারতীয় মুসলিম রাজনৈতিক নেতা।
  • নুরুল আমিন –– পাকিস্তানের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের একমাত্র উপ-রাষ্ট্রপতি।
  • নৃপেন্দ্র দত্ত রয় –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী, যুগান্তর দলের সদস্য।[৬০]
  • প্রবীর সেন –– প্রাক্তন ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটার।
  • প্রবোধচন্দ্র সেন –– ছন্দবিশারদ
  • ফজল শাহাবুদ্দীন –– একুশে পদক এবং বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত কবি।
  • ফরিদুল হুদা –– রাজনীতিবিদ এবং চিকিৎসক
  • ফুলঝুরি খান –– স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত যন্ত্রসঙ্গীত এবং উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী।
  • বাহাদুর হোসেন খান –– উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার এবং সরোদ বাদক।
  • মনমোহন দত্ত –– মলয়া সঙ্গীতের জনক এবং মরমী সাধক।
  • মনির আহমেদ খান –– বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • মীর কাশেম খান –– একুশে পদক প্রাপ্ত সেতার বাদক, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক।
  • মুশফিকুর রহমান –– প্রাক্তন সচিব‚ বিশ্ব ব্যাংকের প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক এবং রাজনীতিবিদ;
  • মোফাজ্জল হোসেন –– বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • মোবারক হোসেন খান –– একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার এবং বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত সঙ্গীত গবেষক এবং লেখক।
  • মোহাম্মদ আশরাফুল –– জাতীয় ক্রিকেটার।
  • মোহাম্মদ ছায়েদুল হক –– রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী।
  • মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ –– নজরুল গবেষক ও সাহিত্যিক
  • মোহাম্মদ হোসেন খসরু –– উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী।
  • রবীন্দ্রমোহন নাগ –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক।
  • রিনাত ফৌজিয়া –– সেতার বাদক।
  • রুমিন ফারহানা –– রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবি।
  • লুৎফুল হাই সাচ্চু –– রাজনীতিবিদ এবং মুক্তিযুদ্ধের ২ ও ৩ নং সেক্টরের গেরিলা উপদেষ্টা।
  • শান্তি ঘোষ –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের নারী বিপ্লবী।
  • শামসুল হক –– বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • শাহজাহান সিদ্দিকী –– বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • শাহাদাত হোসেন খান –– একুশে পদক প্রাপ্ত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সরোদ বাদক এবং সুরকার।
  • শিহাব সরকার –– বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রাপ্ত কবি
  • শেখ সাদী খান –– জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সঙ্গীত পরিচালক এবং সুরকার।
  • সানাউল হক খান –– একুশে পদক এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত কবি।
  • সামসুল হক –– বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।
  • সিরাজুল হক –– আইনবিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং রাজনীতিবিদ।
  • সুনীতি চৌধুরী –– ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।
  • সুফী জুলফিকার হায়দার –– একুশে পদক প্রাপ্ত কবি।
  • সুবল দাস –– সঙ্গীত পরিচালক এবং সুরকার।
  • সৈয়দ আব্দুল হাদী –– জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত সঙ্গীতশিল্পী।
  • হাবিবুল্লাহ খান –– প্রাক্তন তথ্য ও বেতার মন্ত্রী;
  • হারুন আল রশিদ –– রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবি।
  • হাসনাত আব্দুল হাই –– বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত ঔপন্যাসিক।
  • হুমায়ুন কবির –– রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবি।
  • দেওয়ান মাহবুব আলী (কুতুব মিয়া) – মুক্তিযুদ্ধের আন্তর্জাতিক সংগঠক
  • সৈয়দ আকবর হোসেন (বকুল মিয়া) – (১৯৩৫-১৯৭১)
  • ফতেউল বারী চৌধুরী ছুট্টু – বীর মুক্তিযোদ্ধা
  • বিজ্ঞানী- তাহের খান – যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য গবেষণা ও মাননিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এর বিজ্ঞানী, যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার ট্রাস্ককিগি ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স বিভাগের সাবেক সহকারী অধ্যাপক;
  • সাংবাদিক- হাবিবুর রহমান মিলন (১৯৩৯-২০১৫) – ২০১২ সালের একুশে পদক প্রাপ্ত । দৈনিক ইত্তেফাকের উপদেষ্টা সম্পাদক এবং বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ছিলেন ।
  • আহমেদুর রহমান (১৯৩৩-১৯৬৫)- ইত্তেফাকের খ্যাতিমান সাংবাদিক, সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মিলনের বড় ভাই, ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যেদের একজন । ১৯৬৫ সালের ২০ মে কায়রোতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত;
  • মুহম্মদ মুসা – সাংবাদিক ও গবেষক।
  • তুষার আব্দুল্লাহ – ইউনেস্কো পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক
  • বুজুর্গ সুফি সাধক- খন্দকার আশোক শাহ – যিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন ইয়েমেন থেকে ধর্ম প্রচারের জন্য। উনি শায়িত আছেন গোপীনাথ পুর গ্রামের মধ্য পাড়ায়। বীর মুক্তিযোদ্ধা, চিকিৎসক, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, জ্ঞান সাধক ও সুফি সাধক, ডঃএম.এ. রহমান উনার বংশ ধর।
  • শায়খুল বাঙ্গাল আলহাজ হযরত মাওলানা শাহ্‌ সুফি সৈয়দ আবু মাছাকিন মোহাম্মদ মতিউর রহমান গোলাম কাদির (রাহ্‌) ।[৭৯]
  • ফখরে বাঙাল আল্লামা তাজুল ইসলাম রহ.
  • ঈসা খান – বারো ভুঁইয়া দের অন্যতম
  • আকবর আলি খান – অর্থনীতিবিদ,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
  • মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ – সাবেক বিডিআরের মহাপরিচালক
  • অদুদুল বারী চৌধুরী নান্টু (অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব)
  • অলি আহাদ – ভাষা সৈনিক ও স্বাধীনতা পুরস্কার ২০০৪ প্রাপ্ত
  • মহিউদ্দিন আহমাদ- ভাষা সৈনিক,রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুগ্ম আহবায়ক। সাবেক মহাপরিচালক,বাংলাদেশ ডাক বিভাগ।
  • শেখ আবু হামেদ (১৯২৮-২০১৪) – ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও ইতিহাসবিদ
  • সালেহউদ্দিন আহমেদ – বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গভর্ণর
  • আনন্দময়ী মা (১৮৯৬-১৯৮২) – আধ্যাত্মিক সাধিকা
  • মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য – দাতা ও শিক্ষানুরাগী
  • নরেন্দ্রচন্দ্র দত্ত (১৮৭৮-১৯৬২) – প্রখ্যাত ব্যাংকার
  • অমিতাভ রেজা চৌধুরী – চলচ্চিত্র পরিচালক ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা
  • পায়েল ঠাকুর – ইতালীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা
  • জাকিয়া বারী মম – অভিনেত্রী এবং মডেল
  • জিয়াউল রোশান – অভিনেতা
  • সাবরিনা পড়শী – সংগীতশিল্পী
  • দেলোয়ার জাহান ঝন্টু – চলচ্চিত্র পরিচালক
  • আনোয়ার জাহান নান্টু – সংগীত পরিচালক
  • এম এন ইস্পাহানী – চলচ্চিত্র পরিচালক
  • আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী মাওলানা কাজী মাসুদুর রহমান। সাবেক রাষ্ট্রপতির ইমাম:- বঙ্গভবন জামে মসজিদ, সম্মানিত প্রধান মুয়াযযিন:- জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম, মূল ক্বারী, প্রধান মুকাব্বির ও উপস্থাপক:-জাতীয় ঈদগাহ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের (রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের) ধর্ম গ্রন্ত পাঠক। ইসলামীক আলোচক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান গ্রন্তনা ও উপস্থাপক:-বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশন

মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী তিন সহোদর

  • সুবেদার অবঃ হাজী মোঃ ইদ্রিস মিয়া – বীর মুক্তিযোদ্ধা
  • জনাব জহির উদ্দিন আহমদ সাবেক প্রধান শিক্ষক, হাবলাউচ্চ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, – বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক জেলা কমান্ডার , ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • জনাব মরহুম হাজী জামাল উদ্দিন আহমদ সাবেক প্রধান শিক্ষক, লালপুর উচ্চ বিদ্যালয় – বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক জেলা কমান্ডার , ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Related Articles

10 COMMENTS

  1. HC Retinol Serum: Bir A vitamini formu olan Retinol, ince çizgilerin ve yaşlanma belirtilerinin görünümünü azalttığı klinik olarak kanıtlanmış güçlü bir aktiftir.

    Retinol aynı zamanda leke oluşumuna ve ciltteki ton eşitsizliklerine
    karşı mücadele eder. Canlı, taze ve daha
    genç bir cilt görünümü kazandırmaya yardımcı olur.

    HC Retinol Serum’un, en ileri düzeyde konsantre edilmiş saf Hyaluronik Asit, Pentavitin (Saccharide Isomerate), Anadenanthera Colubrina
    Bark Extract ve Bisabolol ile güçlendirilmiş aktif
    içeriği, güçlü nemlendirici ve canlandırıcı özelliği sayesinde cildi sıkılaştırmaya yardımcı olur.

    HC Retinol Serum akneli ve yağlı ciltlerde, lekelerde ve ciltte oluşan A Vitamini eksikliğinde kullanılır.

    Bu tür ciltlerde daha iyi bir etki alınabilmesi için HC Çay Ağacı (Tea Tree) Temizleme Jeli ile birlikte kullanılması tavsiye edilir.

    Retinol SeruM

  2. Takipçi Satın Alma Hizmetleri

    İnstagram’da bir hesabın takipçi adedi, ve o hesabın takipçi sayısı sizi müşterilerinize daha iyi tanıtmış olmaktadır, ve bu prestije sahip olmak isteyen iş
    sahipleri
    ilk olarak takipçi satın almaktadır. Fazla takipçi adedi olan hesaplar, daha çok ilgi çeker ve daha çok şahsa
    ulaşırlar.
    Firma, müşterilerin değişik taleplerine
    yanıt sunabilcek adına değişik takipçi paketleriyle hizmet veriyor http://www.takip2018.com de herkesin bütçesine uyacak paketler sunuyor.

    En güvenilir şekilde ödemenizi gerçekleştirebiliyorsunuz.

  3. En iyi Leke Kremi, Leke Kremi

    Cilt lekelerinin bir çok türü vardır sadece güneş,
    doğum ve sivilce lekeleri sıklıkla karşılaştığımız leke türleridir

    3. Özellikle ozon tabakasının giderek hasar görmesiyle UV ışınlarının zararlı etkilerine maruz kalma riskimiz artmıştır.

    Güneş dolaysıcaklıkyla da ultraviyole ışınları lekelerin oluşmasında ya da koyulaşmasında en önemli etkenlerden biridir.

    Yüzümüzde ortaya çıkan lekeler ara sıra dış imajmüzü ve psikolojimizi olumsuz etkisinde bırakır.

    DOĞAL İYİLEŞME SÜRECİ BAŞLATIR

    Derinin tüm katmanlarına epidermise ve dermise dibine mikro iğnelerle tek seferde
    inebilen fraksiyonel radyofrekans teknolojisi cilt yüzeyini uyararak naturel iyileşme süreci başlatır.

    Buna bağlı olarak cildin üst tabakasındaki hücre açınma faktörleri harekete geçer.

    Ciltteki ton değişiklıkları, lekeler ve ince kırışıklıkların tedavisini olası kılarlar.

    ortalama ayda bir uygulanan seanslarla birkaç seansta
    başarıya ulaşmak mümkün.

    Leke Kremi

  4. Takiрçi satın аl hizmeti Türk gerçek takipçi sistemini sunan ve aѕıl kullanıcı hizmetine de iуe
    olan bir sistemdir.
    Farklı amaçlara іş edebilecek kullanımlar göre ayrı paketler
    ve hizmetler hаzırlаmış olan şehir ayrımlı
    filtreleme sistemlerine de malik оlduğu görе dikkаt çeker.
    isterseniz ѕadece kadınlara isterseniz de yalnızca erkeklere hitаp eden yada tamamı karışık içerikleriniz yoluna nişаngâh odaklı takіpçі satın alabіleceksіnіz.

    Bu dа şahısѕel hesabınızı veya şirkеt hesabınızı henüz kolaуca güçlendirmeye
    уaraуacak mühim özelliklerden biri olacaktır.
    Filtrelenmiş takipçi seçeneği sayеsindе siz okunuşu Takipçi Satın Al firmasını karın rahatlığı ile kullanabilirsiniz.

    takipçi satın alma işlemi hizmeti Türk real takipçi sistemini sunan ve
    aѕıl kullanıcı hizmetine de iуe olan bir sistemdir.
    Farklı amaçlara іş edebilecek kullanımlar göre ayrı paketler ve hizmetler hаzırlаmış
    olan şehir ayrımlı filtreleme sistemlerine de malik оlduğu görе dikkаt çeker.
    Buna bakarak cinsellik filtrelemesi yaрabilecek, isterseniz ѕadece kadınlara dilerseniz de yalnızca erkeklere hitаp eden içerikleriniz yoluna nişаngâh odaklı takіpçі satın alabіleceksіnіz.
    Bu dа şahısѕel hesabınızı veya şirkеt hesabınızı henüz kolaуca
    güçlendirmeye уaraуacak önemli özelliklerden biri olacaktır.

    Filtrelenmiş takipçi seçeneği sayеsindе siz okunuşu Takipçi Satın Al
    şirketinı kullanmaktan çekinmeyiniz tAKiPÇİ satın al

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

21,943FansLike
2,757FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles