কাশ্মীর: পৃথিবীর ভূস্বর্গ

Back to Posts

কাশ্মীর: পৃথিবীর ভূস্বর্গ

কাশ্মীর: পৃথিবীর ভূস্বর্গ

লেখক- মাসুম বিল্লাহ্‌

 

সেই কৈশর থেকে ঘোরাঘুরি প্রতি ভালোলাগা। বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলিতে এই ভালোলাগা ভীষণ এক নেশায় রুপ নিল। ক্লাস আর স্বল্প মাসিক খরচ থেকে কিছু কিছু টাকা জমিয়ে ছুট দিতাম অজানায়। গন্তব্যহীন অজানায় ছুটে চলাতে কি যে ভীষণ আনন্দ খুঁজে পাই সে গল্প হবে অন্য কোন দিন। এখন চলুন এই ব্যস্ত নগরী থেকে সপ্তাহ খানিক পৃথিবীর ভূস্বর্গ খ্যাত কাশ্মীর ঘুরে আসি।

মনটা সেই জানুয়ারি থেকে আনচান করছিলো কাশ্মীর যাবার জন্য। একদিকে ভারত-পাকিস্থানের সীমান্ত নিয়ে আতঙ্ক অন্যদিকে কাশ্মীরের প্রকৃতির প্রতি টান। মনে সাহস জুগিয়ে এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের ০৩ বন্ধু আর অফিসের ০২ সহকর্মীকে নিয়ে ঢাকা থেকে কলকাতার উদ্যেশে বেড়িয়ে পড়লাম। বলে রাখা ভালো ১ মাস আগেই ঢাকা থেকে কাশ্মীর বাই রোডের সকল তথ্য সংগ্রহ ও টিকেট কেটে রেখেছিলাম। নির্ধারিত যাত্রার দিন রাত ১০:৩০ ঢাকা থেকে শ্যামলী (এন আর) ট্র্যাভেলস বাসে উঠে বসলাম। যাত্রা শুরু আর স্বপ্নের ভূখণ্ডে যাবার উত্তেজনায় সবাই ছিলাম খুশীতে বিচল।

বাস ছাড়তেই গাড়ীর সুপারভাইজর কলকাতার দাদার মুখে ‘প্রিয় যাত্রীবৃন্দ …’। সারাদিন অফিস শেষে কিছু কেনাকাটা আর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করতেই বেশ খানিকটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। মানিকগঞ্জ পার হতেই সুযোগমত একটা ঘুম দিয়ে নিলাম। ভোর ৭:০০ বেনাপোল চেকপোস্টে এসে ঘুম ভাঙলো সহকর্মী অভিজিৎ এর আওয়াজে। জানালার পর্দা সরিয়ে দেখলাম ততক্ষণে সূর্য মামা উঠে গেছে। একটা সুখের আড়ামোড়া ঝেড়ে দ্রুত উঠে পড়লাম ব্যাগ নিয়ে। বাস থেকে নেমে শুনলাম বর্ডার ০৮ টার আগে খোলেনা। তাই সবাইকে জানানো হলো বাসের কাউন্টারে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা সেরে নিতে। অগত্যা সবাই তাই দ্রুত ফ্রেশ হয়ে নাস্তা সেরে অপেক্ষা করছি কখন বর্ডার পার হবো। বলে রাখা ভালো, বর্ডারের সকল কাজ এই রুটের বাসের লোকেরাই করে দিবে, শুধু ৫০-১০০ টাকা দিলেই হবে। এই সময়ে বাংলাদেশে একটা বড় সরকারি ছুটি থাকায় দীর্ঘ মানুষের জ্যাম ছিলো বর্ডারে। সকল আনুষ্ঠানিকতা সেরে অবশেষে আমরা প্রবেশ করলাম পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল।

শ্যামলীর বাসটি অপেক্ষায় ছিলো আমাদের জন্য। সবাই উঠে পরতেই বাস রওনা হলো কলকাতার পথে। ৩ ঘণ্টামতো যাবার পর পৌঁছে গেলাম হাজারো ঐতিহ্যের নগরী, প্রায় ৩০০ বছরের পুরানো শহর কোলকাতা’য়। সারাদিন কোলকাতার অলিগলি ঘুরে হাওড়া রেল ষ্টেশন থেকে সন্ধ্যা ০৭ টার (যদিও ট্রেন বিকালে ছিল) রাজধানী এক্সপ্রেসে করে রওনা দিলাম দিল্লীর উদ্যেশে। এই ট্রেনগুলো সব ইলেকট্রিক তাই চলেও সেই লেভেলে। প্রায় ২০ ঘণ্টা চলার পর পৌঁছে গেলাম রাজধানী দিল্লীতে।  

দিল্লী নেমে একটা উবার ডেকে চলে গেলাম পাহাড়গঞ্জ এ হোটেল hotel haripiorko তে। এখানকার ম্যানেজার দাদা কলকাতার সুতরাং মন খুলে কথা বলে নিতে পারবেন। আর হোটেল টাও অনেক ছিমছাম। রাতে হোটেলে থেকে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়লাম ভারতের রাজধানী দিল্লী শহর দেখার জন্য। একটা ট্যাক্সি ভাড়া করে বেরিয়ে পড়লাম ইণ্ডিয়া গেট, হজরত নিজাম উদ্দিন আওলিয়ার মাজার, লাল কেল্লা, কুতুব মিনার আর অসংখ্য স্থাপত্যের শহর ঘুরে পছন্দ মতো কেনাকাটা করে নিলাম।

দিল্লীর গল্প  একপাশে রেখে দেই। কারণ যেতে হবে বহুদুর- সেই জম্মু- কাশ্মীর। রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ১৯ ঘণ্টা যাত্রার পর পৌঁছলাম জম্মু রেলওয়ে ষ্টেশনে। পূর্বেই ঠিক করে রাখা কাশ্মীরের ড্রাইভার বেলাল ভাই আমাদের জন্য ষ্টেশনে অপেক্ষা করছিলো। বলে রাখা ভালো এইখানে সাধারণ সিম চলেনা, এই রাজ্যের জন্য নতুন সিম নিতে হয়। আমরা টুরিস্ট হেল্প সেন্টার থেকে ফোনের মাধ্যমে ড্রাইভার বেলাল ভাই এর সাথে যোগাযোগ করি, সালাম আর উষ্ণ অভিনন্দনে বেলাল ভাইয়ের গাড়ীতে উঠে বসলাম। বেলাল ভাইয়ের গাড়ীতে উঠতেই লোকাল গান শুনতে শুনতে পৌঁছে গেলাম কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে। হোটেল হলিডে ভিলা তে থাকার বন্দোবস্ত হলো।

দ্রুত ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে উদ্দেশ্য এবার ডাল লেক। ডাল লেক জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে অবস্থিত। একে বলা হয় “Srinagar’s jewel”। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫৮৩ মিটার উচচতায় এই হ্রদ অবস্থিত। ডাল লেক এর সৌন্দর্য অভূতপূর্ব। ভারতের তোতা পাখি আমির খসরু কাশ্মীর সম্পর্কে লিখেছিলেন বিখ্যাত এই পংক্তি টি- “Agar firdaus bar roo-e zameen ast,/
Hameen ast-o hameen ast-o hameen ast.” অর্থাৎ, if there is paradise on face of the earth, it is this, it is this, it is this.

দীর্ঘ ভ্রমণে ক্লান্ত থাকায় ডাল লেক আর আসে পাশের শপিং প্লেসগুলো ঘুরে হোটেলে ফিরে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ি। পরের দিন ভোর ৬:৩০ (কাশ্মীরে ২য় দিন) বেলাল ভাইয়ের গাড়ীতে করে ছুটলাম কাশ্মীরের আসল সৌন্দর্যগুলো দেখতে। গন্তব্য কাশ্মীরের দর্শনীয় স্থানগুলো;

জোজিলা পাস ও সোনমার্গঃ  শ্রীনগর থেকে ৮২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে গেলেই পৌঁছে যাবেন, কাশ্মীরের আর এক প্রাচীনতম দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ। এপ্রিল-মে মাসে সোনমার্গ তার ভরা যৌবন মেলে ধরে পর্যটকদের কাছে। শ্রীনগর থেকে সোনমার্গ যেতে পথে দেখতে পারবেন অসংখ্য সবুজের বৃক্ষসমারোহ, গগনচুম্বী পাহাড় আর প্রকৃতির আপন মহিমা। সোনমার্গ এর অন্য নাম সোনালি উপত্যকা। জোজিলা পাস ও সোনমার্গ পর্যটকদের সেরা পছন্দের জায়গা। এখান দিয়েই প্রাচীন সিল্ক রোড চলে গেছে।

বরফ রাজ্য গুলমার্গঃ   শ্রীনগর থেকে প্রায় ৫২ কিলোমিটার দূরে এই গুলমার্গ অবস্থিত। এই পাকিস্থান সীমান্ত থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সারা বছর এইখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের ভীড় লেগেই থাকে। গরমের সময় পর্যটকেরা আসে ফুরফুরে নির্ভেজাল হাওয়া খেতে আবার শিতে দলবেঁধে আসে বরফে মেতে উঠতে। গুল মার্গে এসে বিশেষ দর্শনীয়  যা যা দেখতে পারবেন; গণ্ডুলা রাইড, সেন্ট মেরি চার্চ, খিলান মার্গ, বাবা রেসির মাজার আর বরফে মাতামাতি করতে পারবেন মন ভরে। এখানকার মজা মুলত গণ্ডুলা রাইড এ। এটি ১ম ও ২য় ফেজে বিভক্ত। যাদের ঠাণ্ডার সমস্যা ও কিছুটা কম সাহসি তারা গণ্ডুলা রাইডের ১ম ফেজ পর্যন্ত যেতে পারেন। অবশ্য আসল মজাটা কিন্তু ২য় ফেজ পর্যন্ত। অনেক জার্নি হলো এবার রাতের ভোজনের পালা। বেড়িয়ে পড়লাম কাশ্মীরের অলিগলি আর ঐতিহ্যবাহী খাবারের সন্ধানে।  

ভূস্বর্গ কাশ্মীর যেমন ছবির মতো সুন্দর, তেমনি কাশ্মীরের খাবারও অনেক বেশি মজাদার এবং সুস্বাদু। কাশ্মীরের নাগরিকেরা তাদের খাবারের ঐতিহ্য বছরের পর বছর ধরে রেখেছে এবং এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের মধ্যে দিয়ে চলে আসছে। কাশ্মীরে সাধারণত তিন ধরনের রন্ধনপ্রণালী অনুসরণ করে খাবার তৈরি করা হয়। কাশ্মীরি পণ্ডিত, মুসলিম এবং মোগল। কাশ্মীরি খাবারের মধ্যে গরুর মাংস এবং ভেড়ার মাংসের উপস্থিতি অনেক বেশি। কাশ্মীরি তরকারিগুলোতে এলাচ, লবঙ্গ এবং দারুচিনির ব্যবহার একটু বেশিই বলে আমার মনে হয়েছে। তবে মজা আছে খাবারে। রান্নার ক্ষেত্রে কাশ্মীরিরা প্রচুর পরিমাণ সরিষার তেল ব্যবহার করে থাকে তাই একটা ঝাঁঝালো গন্ধ আছে সব খাবার জুড়ে। সেই সাথে খাবারের দেশি ঘি’র ব্যবহার খাবারকে করে তোলে অনেক বেশি মজাদার।কাশ্মীরি খাবার তৈরিতে টক দই একটি সাধারণ উপাদান এবং এটি কাবাব তৈরির জন্য, মাংস মেরিনেড করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া জাফরান তাদের পছন্দের তালিকায় এগিয়ে। আর কাশ্মীরে গেলে অবশ্যই এই পরটা টা খেতে মিস করবেন না, হালুয়া কিংবা মাংস দিয়ে সেই টেস্ট।

বরফের রাজ্য থেকে এবার ফেরার পালা। শ্রীনগর পৌঁছে খেয়ে দেয়ে অস্থির এক্কখানা ঘুম দিলাম। আর অপেক্ষা আগামিকাল ভোরের- কাল স্বপ্নের পেহেলগাম যাবো। অস্থিরতা কাজ করছে মনে। পরেরদিন ভোর ৬ টার পরপরই সবাই তড়িঘড়ি করে বেলাল ভাইয়ের সাথে বেড়িয়ে পড়লাম পেহেলগামের পথে। পেহেলগাম কে বলা হয় এশিয়ার সুইজারল্যান্ড। পেহেলগামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ঝিলম নদী। আরু ভ্যালি, বেতাব ভ্যালি, আর রয়েছে বাইসারান। বলিউডের বাজরাঙ্গি ভাইজান মুভির কথা মনে আছে? মুভিটার বড় একটা অংশের শুটিং হয়েছিলো এইখানে।

মাত্র ৫০০ রুপীতে ঘোড়ায় চড়ে আপনি পুরা মিনি সুইজারল্যান্ড বিন্দাস ঘুরে দেখতে পারবেন।  আর যদি আমাদের মতো সৌভাগ্যক্রমে বৃষ্টির দেখা পান তবে তো আর কোথায় নেই; দেখবেন আপনার রবের কি মহিমা। এই পেহেলগাম বিখ্যাত আপেলের জন্য। আমাদের দেশের আমের মতো সারা গ্রামজুড়ে আপেলের গাছে ভরা। যদিও আমরা শুধু মুকুল আর কিছু ছোট সাইজের আপেলের জন্ম নেওয়া দেখেই এ যাত্রা স্বাদ মেটালাম।    

শ্রীনগরঃ (চশমিস শাহী, পরিমহল, ডাল লেক, নিশাত গার্ডেন, হযরত বাল দরগাঁ);  আজকের দিন শুধু শ্রীনগর ঘুরবো। সকাল থেকে আসরের পূর্বেই নগরের টিউ লিপ ফুলের বাগান, পরিমহল, ডাল লেক, নিশাত গার্ডেন, চশমিস শাহী, আর হযরত বাল দরগাঁ ঘুরে দেখলাম। নয়াভিরাম প্রতিটি স্থান। ফিরতেই মন চাইছেনা!!

০৪ দিনের কাশ্মীর ভ্রমণ শেষে এবার দেশে ফেরার পালা। মনটা বড্ড বেশি ছটফট করছে কাঁচা মরিচ পেঁয়াজ বাটা, একটু রসুন, আর টমেটো ধনে পাতা দিয়ে গরম গরম মাছের ঝোলের সাথে গরম ভাত খেতে। পুরান ঢাকার কালাভুনা টাও হেব্বি মিস করছি। আহা কতদিন কবজি ডুবিয়ে ভাত খাইনা! চলেন বাড়ি যায়। আমরা ঠিক পূর্বের মতোই গাড়ী-ট্রেন- গারি-উবার করে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসি। যাবার সময় চোখের কোণে যেন কি একটা পড়লো! চোখ ভিজে আসছে জলে! মনে হচ্ছে কি যেন একটা ফেলে যাচ্ছি, ভেতরের মানুষটা এই ফেলে আসা জায়গা আর স্মৃতি কে হারিয়ে ফিরে আসতে সায় দিচ্ছেনা, তব যে যেতে হয়!

 

আসুন চোখ বুলিয়ে নেই একনজরেঃ

ঢাকা-কলকাতা-দিল্লী-জম্মু-কাশ্মীর -ঢাকা।    

যাতায়াতঃ ঢাকা থেকে কলকাতাগামী শ্যামলী বা কোন পরিবহণে কলকাতা যেতে পারবেন। কলকাতা থেকে ট্রেনে দিল্লী, দিল্লী থেকে ট্রেনে জম্মু, জম্মু থেকে রিজার্ভ। শ্রীনগর থেকে প্যাকেজের মাধ্যমে থাকা ও সকল বর্ণিত দর্শনীয় স্থানের উপর ভিত্তি করে ভ্রমণ প্যাকেজ ঠিক করে নিয়েছিলাম। আপনি চাইলে পছন্দমতো হোটেল, যাতায়াত মাধ্যম, দর্শনীয় স্থান ও খাবার ঠিক করে প্যাকেজ বানিয়ে নিতে পারেন। শ্রীনগর পৌঁছেই আপনি রিলাক্সে এই কাজগুলো করে নিতে পারবেন। আর প্যারা না নিতে চাইলে অনলাইনের মাধ্যমেই সব সেবা নিতে পারবেন। ও হ্যা বলতে ভুলেই গেছি, কাশ্মীরের মানুষগুলা অনেক ভালো, বাটপারি পাবেন না। কমিটমেন্ট এ একদম স্বাচ্ছা। বাই রোডে এই বিন্দাস ট্যুরে আমরা গ্রুপে ৭ জন ছিলাম, ৯ রাত ১০ দিনের এই ট্যুরে আমাদের জন প্রতি ২৮-৩০ হাজারের মধ্যে ভালোভাবে হয়ে গেছিলো। কিছু টুকটাক কেনাকাটাও করেছি মন দিয়ে।

 

ঢাকা থেকে কলকাতা যাবার জন্য শ্যামলীর বাসে বুকিং দিতেঃ http://www.shyamoliparibahan-bd.com/

 

দিল্লীতে এই হোটেলে ছিলাম আমরাঃ 

Hotel Hari Piorko – Paharganj, New Delhi
4775, Main Bazar Rd, Paharganj,
Delhi-110055| Map
Email: hpiorko@yahoo.in
Phone: +91 112 35 87 888 | +91 112 35 87 999

 

কলকাতা- দিল্লী, দিল্লী- জম্মু ট্রেনের টিকেট এর জন্য ঢু মারতে পারেনঃ

https://www.yatra.com/indian-railways/howrah-jn-hwh-to-new-delhi-ndls-train-tickets

আর সারা ভারত জুড়ে রুম বুকিং এর জন্য  https://www.agoda.com  ই বলবো বেস্ট। তবে আমি সবসময় চুরাই বুদ্ধিতে বিশ্বাসী। আমি এই সাইট থেকে হোটেল ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করে একটু অনালিনে সার্চ দিয়েই পছন্দমতো হোটেলের সাথে যোগাযোগ করি। পরে পুশালে বুকিং দিয়ে দেই নতুবা সরাসরি গিয়েই কাজ শেষ করে নেয়।  

 

তবে এই ধরণের ট্যুর গুলাতে একটু বেশি রিলাক্স করতে গেলে কিন্তু খরচের পাল্লাও ভারি হবে মহাশয়। তাই সবদিক ম্যানেজ করে নিতে পারলে অল্প টাকায় বিন্দাস ট্যুর দিতে পারবেন। ভ্রমণ মানুষকে বিনয়ী করে তোলে, সে জানতে পারে দুনিয়ার তুলনায় সে কত ক্ষুদ্র। তাই বছরে অন্তত একবার এমন এক জায়গায় ভ্রমণ করা উচিত, যেখানে আপনি আগে কখনো যাননি। হ্যাপি ট্র্যাভেলিং।।   

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to Posts
error: Content is protected !!