প্রত্ননগরী মুন্সিগঞ্জ

প্রত্ননগরী মুন্সিগঞ্জ

ইতিহাস,ঐতিহ্য আর বহু কীর্তিমান মনীষীর স্মৃতিধন্য মুন্সিগঞ্জ জেলা। এ জেলার প্রাচীন নিদর্শন সমূহের সাথে জড়িয়ে রয়েছে হাজারো গৌরব গাঁথা, সুখ-দু:খের নানা উপাখ্যান। সংগীত, নাটক, নৃত্য, সাহিত্য, আবৃত্তি-সংস্কৃতির সকল শাখায় সমৃদ্ধ এই মুন্সিগঞ্জ।এ জেলা সুপ্রাচীন চন্দ্ররাজাদের তাম্রশাসনের অঞ্জলি থেকে শুরু করে পাল, সেন, মোঘল, বার ভূঁইয়াদের কীর্তিতে সমুজ্জ্বল হয়ে একটি স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের রাজধানী বিক্রমপুরের কীর্তিময় অংশ।

মুন্সিগঞ্জের প্রাচীন নাম বিক্রমপুর। মোঘল শাসনামলে মুন্সিগঞ্জ এর নাম ছিলো ইদ্রাকপুর। কথিত আছে, মোঘল শাসন আমলে এই ইদ্রাকপুর গ্রামে মুন্সী হায়দার হোসেন নামে একজন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মোঘল শাসকদের দ্বারা ফৌজদার নিযুক্ত হয়েছিলেন। অত্যন্ত সজ্জন ও জনহিতৈষী মুন্সী হায়দার হোসেনের নামে ইদ্রাকপুরের নাম হয় মুন্সীগঞ্জ। কারো কারো মতে জমিদার এনায়েত আলী মুন্সীর নামানুসারে মুন্সিগঞ্জ  নামকরন করা হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ ঢাকা বিভাগের একটি জেলা। মুন্সিগঞ্জ এর উত্তরে ঢাকা জেলা, দক্ষিণে ফরিদপুর জেলা, পূর্বে মেঘনা নদী ও কুমিল্লা জেলা এবং পশ্চিমে পদ্মা নদী ও ফরিদপুর জেলা অবস্থিত।আয়তন: ৯৫৪.৯৬ বর্গ কিমমি। আয়তন ২৩৫৯৭৪ একর। জনসংখ্যা ১২,৯৩,৯৭২ জন; মুন্সিগঞ্জ জেলায় ছয়টি উপজেলা (মুন্সিগঞ্জ সদর, টঙ্গীবাড়ী, শ্রীনগর, লৌহজং, গজারিয়া, সিরাজদীখান।) রয়েছে। ৬ টি উপজেলার মধ্যে ৬৭ টি ইউনিয়ন রয়েছে।

 

উৎসব

লোকসংস্কৃতি দুর্গাপূজা, নববর্ষ, চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে যাত্রা, পালাগান, কবিগান, কীর্তনলীলা, বাউল গানের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শ্যামসিদ্ধির মেলা এবং ঐতিহ্যবাহী ঝুলন মেলার প্রচলন রয়েছে। এছাড়া রথ যাত্রা, নৌকাবাইচ, লাঠি খেলা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

 

দর্শনীয় স্থান

  • আড়িয়াল বিল;
  • জগদীশ চন্দ্র বসুর জন্মস্থান,
  • অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান,
  • রাজা শ্রীনাথের বাড়ি,
  • ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ি,
  • রামপালে বাবা আদমের মসজিদ,
  • হাসারার দরগা,
  • সোনারং জোড়া মন্দির,
  • পদ্মার চর,
  • ইদ্রাকপুর কেল্লা,
  • রাজা বল্লাল সেন ও হরিশচন্দ্রের দীঘি, * শ্যামসিদ্ধির মঠ,
  • শুলপুরের গির্জা,
  • মাওয়া ঘাট;
  • মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট প্রভৃতি।

 

কিভাবে যাবেন?

ঢাকার গুলিস্তান, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী থেকে এই রুটে বিভিন্ন পরিবহনের অসংখ্য বাস প্রতি ১০/১৫ মিনিট পর পর চলাচল করে। গুলিস্তান সুন্দরবন স্কোয়ার মার্কেটের পূর্ব পাশ এবং যাত্রাবাড়ী গোলচত্ত্বরের পূর্ব-দক্ষিণ দিক থেকে ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-লোহজং, শ্রীনগর, টংগীবাড়ী প্রভৃতি স্থানের বাস ছেড়ে যায়। ঢাকা থেকে সড়কপথে এই জেলার ভাড়া ৬০ টাকা।

জল পথে- নৌ-পথে ঢাকার সদরঘাট থেকে সারাদিনই ছোট ছোট লঞ্চ এই জেলার কাঠপট্টি, ফতুল্লা প্রভৃতি ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এছাড়া চাঁদপুর গামী লঞ্চগুলোও এসব ঘাটে যাত্রী উঠানামা করিয়ে থাকে। লঞ্চে ভাড়া ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা।

 

দর্শনীয় স্থান

  • প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার- মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামে মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা হাজার বছরের পুরনো বৌদ্ধ বিহারের সন্ধান মিলেছে। প্রত্নসম্পদ ও ঐতিহাসিক নিদর্শন উদ্ধারে চালানো খনন কাজের মাধ্যমে এ বৌদ্ধ বিহার আবিষ্কৃত হয়। এরই মধ্যে বৌদ্ধ বিহারের পাঁচটি ভিক্ষু কক্ষ উন্মোচিত হয়েছে। একেকটি ভিক্ষু কক্ষের পরিমাপ ৩ দশমিক ৫ মিটার (দৈর্ঘ্য) ও ৩ দশমিক ৫ মিটার (প্রস্থ)। ধারণা করা হচ্ছে, বৌদ্ধ ধর্মের জ্ঞান তাপস অতীশ দ্বীপঙ্করের সঙ্গে এ বৌদ্ধ বিহারের সম্পর্ক রয়েছে।
  • রামপাল দীঘি– মুন্সীগঞ্জ জেলার রামপাল নামক স্থানে এই দীঘিটি অবস্থিত। বিক্রমপুরের রাজধানী রামপালের রাজা বল্লাল সেন সেই সময় তার প্রজা সাধারণের পানির কষ্ট লাঘব করার জন্য এই দীঘিটি খনন করেছিলেন। সেই সময় থেকে জায়গার নামানুসারে এই দীঘিটির নাম লোক মুখে প্রচারিত হতে হতে এটি এখন রামপাল দীঘি নামে পরিচিত। লোকমুখে আরও কথিত আছে যে, স্থানীয় প্রজা সাধারণের পানীয় জলের কষ্ট লাঘব করার জন্য তার মা বল্লাল সেনকে একটি দীঘি খনন করার কথা বললে রাজা বল্লাল সেন তার মাকে আশ্বাস দেন যে, তার মা যতদূর হেটে যেতে পারবেন রাজা বল্লাল সেন ততটুকু জায়গা জুড়ে দীঘি খনন করে দিবেন। তার পরের দিন তার মা দক্ষিণ দিকে হাটা শুরু করে অনেক দূর পর্যন্ত চলে যায়। তখন রাজা বল্লাল সেনের অসুস্থতার খবর শুনে তার মা হাটা থামিয়ে ফিরে আসেন। সেদিন বল্লাল সেনের মা যতদূর পর্যন্ত হেঁটে গিয়েছিলেন ততদূর পর্যন্ত বল্লাল সেন দীর্ঘ দীঘি খনন করেন।
  • বাবা আদম শহীদ মসজিদ- পূর্বেকার বিক্রমপুর জেলার রাজধানী রামপাল জুড়েই বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলার বেশিরভাগ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো অবস্থিত। তেমনই একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হলো বাবা আদম শহীদ মসজিদ। রামপাল রেকাবি বাজার ইউনিয়নের কাজী কসবা গ্রামে এই মসজিদটি অবস্থিত। ইতিহাস থেকে জানা যায় সুলতান ফতেহ শাহ এর শাসন আমলে ১৪৮৩ সালে মালিক কাফুর মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদটির উপরে দুই সারিতে মোট ছয়টি গম্বুজ রয়েছে। মসজিদটির বাইরের দৈর্ঘ্য ১০.৩৫ মিটার এবং প্রস্থ ৩.৭৫ মিটার। এর দেয়াল ২ মিটার পুরু। জনশ্রুতি আছে, রাজা বল্লাল সেনের শাসনামলে বাবা আদম নামে একজন ব্যক্তি ধর্ম প্রচারের জন্য এ অঞ্চলে এসেছিলেন। রাজা বল্লাল সেনের নির্দেশ মতে তার সেনা সদস্যগন বাবা আদমকে হত্যা করে এই স্থানে দাফন করেন। মসজিদের পাশে এখনো বাবা আদম এর সমাধি রয়েছে।
  • ইদ্রাকপুর দুর্গ- ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায়, মুঘল সুবাদার মীর জুমলা ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে মুন্সীগঞ্জ জেলা শহরে পুরোনো ইছামতি নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত ইদ্রাকপুরে এই দুর্গটি নির্মাণ করেছিলেন। সে সময় মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ সহ আরও কিছু এলাকা রক্ষা করার উদ্দেশ্যে এই দুর্গটি নির্মাণ করা হয়েছিল। জনশ্রুতি আছে, এই দুর্গের সুরঙ্গ পথের সাথে লালবাগ কেল্লা দুর্গের সংযোগ রয়েছে। শত্রুদের উদ্দেশ্যে গোলা নিক্ষেপের জন্য দুর্গটির দেয়ালে অসংখ্য ছিদ্র রয়েছে। প্রাচীর ঘেরা এই দুর্গটির চারকোণায় রয়েছে একটি করে গোলাকার বেস্টনী। ১৯০৯ সালে এই দুর্গটি পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।
  • মীরকাদিম পুল- মীরকাদিম নামটি শুনলেই আমাদের অনেকেরই কুরবানীর মিরকাদিমের গরুর কথা মনে পড়ে যায়। মুন্সিগঞ্জ জেলা শহর থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে কয়েক কিলোমিটার দূরে এই স্থানটি অবস্থিত। এখানে মীরকাদিম নামে একটি খাল রয়েছে। মুঘল আমলে এই খালের উপর একটি পুল নির্মাণ করা হয়েছিল। যার দৈর্ঘ্য ছিল ৫২.৪০ মিটার। চুন ও সুরকির সমন্বয়ে এই পুলটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বহুবার সংস্কারের ফলে পুলটির এখন আর সেই আগের অবস্থা নেই।
  • পদ্মা রিসোর্ট- বর্তমান সময়ে মুন্সীগঞ্জ জেলার পর্যটক আকর্ষণের দিক থেকে যে স্থানটি সবচেয়ে এগিয়ে সেটি হলো পদ্মা রিসোর্ট। প্রমত্তা পদ্মা নদীর বুকে এই রিসোর্টটি অবস্থিত। মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং নামক স্থানে এই রিসোর্টটি অবস্থিত। পর্যটকদের নিরিবিলি অবকাশ যাপনের জন্য এখানে রয়েছে কাঠের তৈরি ১৬টি কটেজ। সেই সাথে রয়েছে পদ্মার টাটকা ইলিশের তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাবারের পাশাপাশি উন্নতমানের বিভিন্ন ধরনের খাবারের ব্যবস্থা। রিসোর্টটিতে অবকাশ যাপনের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে। কটেজে যাওয়ার জন্য মাওয়া ফেরিঘাটে রিসোর্টের নিজস্ব স্পীডবোট রয়েছে।

 

  • মেঘনা ভিলেজ- মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় মেঘনা নদীর কোলঘেষে মেঘনা ব্রীজ হতে ১ কিলোমিটার দূরত্বে এই রিসোর্টটি অবস্থিত। সম্পূর্ণ গ্রামীণ নিরিবিলি পরিবেশে এই রিসোর্টটি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে অবকাশ যাপনকারীদের জন্য রয়েছে এসি ও নন-এসি উভয় ধরনের কটেজ। এখানকার কটেজগুলো দেখতে অনেকটা নেপালি বাড়িঘরের মতো। পর্যটকদের জন্য এখানে রয়েছে সুবিশাল খেলার মাঠ, খেলাধুলার উপকরণ, সুস্বাদু ও উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা। রাতের বেলায় যারা চাঁদ দেখতে ভালোবাসেন তারা একবার ঢু মেরে আসতে পারেন ঢাকার কাছের এই মেঘনা ভিলেজ হতে।

 

  • আড়িয়াল বিল মুন্সীগঞ্জ- বর্ষায় পানিতে টই টই, শীতে শুকিয়ে বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত। যেদিকে চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। আর এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে যেতে হবে মুন্সীগঞ্জ এর “আড়িয়াল বিল” এ। আড়িয়াল বিল ঢাকার দক্ষিণে পদ্মা ও ধলেশ্বরী নদীর মাঝখানে অবস্থিত প্রায় ১৩৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের একটি অবভূমি। ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ এবং মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলা জুড়ে এ জলাভূমির অবস্থান। তবে অধিকাংশই পড়েছে মুন্সীগঞ্জে। সুনীল আকাশ, টলটলে বিলের জল। কখনোবা বিলের মাঝে একখণ্ড দ্বীপ। মরিচবাড়ি ডাঙ্গা নামের দ্বীপের মতো জায়গায় নেমে সবুজে একরাশ মুগ্ধতা। ফের নৌকায় চড়ে মাছ ধরা, শাপলা তোলা দেখে কেটে যায় বেলা। এরকম একটি দিন কাটাতে চাইলে একবার হলেও ঘুরে আসুন আড়িয়াল বিল থেকে। কিভাবে যাবেন – ঢাকার গুলিস্তান থেকে মাওয়া গামী যেকোন বাসে, মিরপুর থেকে স্বাধীন, আব্দুল্লাহপুর থেকে প্রচেষ্টায় করে ছনবাড়ি (শ্রীনগর নামব বললে এখানেই নামাবে) নেমে রাস্তা ক্রস করে ইজি বাইকে জনপ্রতি ৫ টাকা কিংবা রিক্সায় ১০ টাকা দুইজন করে শ্রীনগর বাজার। বাজারে নৌকা ঘাট আছে, হাতে টানা কিংবা ইঞ্জিনচালিত দুই রকম নৌকাই পাবেন। চাইলে গদিঘাট গিয়েও নৌকা ভাড়া করতে পারেন, ইঞ্জিনচালিত নৌকা ৮০০-১০০০ এ সারা দিনের জন্য ভাড়া করতে পারবেন। অথবা ঢাকার গুলিস্থান থেকে মাওয়াগামী বাসে ৬০ টাকার টিকেট কেটে উঠে পড়বেন। সেখান থেকে শ্রীনগর বাসস্ট্যান্ডে নেমে পড়বেন। ১০ টাকা ভাড়া দিয়ে গাঁদিরঘাটগামী অটোস্ট্যান্ডে চলে যান। অটোটে গাঁদিঘাট অর্থাৎ আড়িয়াল বিলের কাছে নামিয়ে দেবে। এরপর ইঞ্জিন চালিত নৌকা ভাড়া করে ঘুরুন। দুই থেকে ৫ জন মিলে গেলে ভালো হয়। নৌকায় ঘণ্টা ২০০ থেকে ২৫০ টাকা নেবে। তাহলে নৌকা খরচ প্রতিজন ৫০-৭০ পড়বে। খাবার- চিত্তর দই, আনন্দর মিষ্টি, খুদের বৌউয়া বা খুদের খিচুড়ি, ভাগ্যকুলের মিষ্টি সকালে নাস্তা করতে চাইলে মাঝখানে বাজার আছে করে নিবেন। গাদিঘাটে সেরকম কিছু নাই। শ্রীনগরের পর বিলের কোথাও দোকান পাট নেই। গাদিঘাট এ কিছু গ্রাম্য দোকান পাবেন। সঙ্গে অবশ্যই পর্যাপ্ত খাবার পানি ও শুকনা খাবার নিতে ভুলবেন না।

 

খাবার

  • পাতক্ষীরশা মুন্সিগঞ্জের বিখ্যাত খাবার। লোকমুখে শোনা যায়, এটি জেলার শতবর্ষী পুরোনো খাবার। বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থ ঘেঁটে এ কথার সত্যতা না মিললেও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে এ খাবারের জনপ্রিয়তার কমতি নেই। মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা সদরের সন্তোষপাড়া গ্রামের প্রয়াত ইন্দ্রমোহন ঘোষের স্ত্রী রাজলক্ষ্মী ঘোষ প্রথম পাতক্ষীরশা তৈরি করেন। বর্তমানে তাঁদের বংশধর শরৎ ঘোষ, খোকন ঘোষ, জাদব ঘোষ ও মাধব ঘোষ পাতক্ষীরশা তৈরির পেশায় যুক্ত রয়েছেন। উপজেলার অন্য অনেক দোকানেও তৈরি হচ্ছে সিরাজদিখানের পাতক্ষীরশা। পাতক্ষীরশার দাম ২৫০ টাকা। তবে কেজি ৪৫০ টাকা
  • ভাগ্যকুলের মিষ্টি
  • ঘোলা
  • মুন্সিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খাবারের নাম ‘খুদের বৌউয়া

 

রাত্রী যাপন

ঢাকা থেকে খুব বেশি দূরে না হওয়ায় বেশিরভাগ পর্যটকই দিনে গিয়ে দিনে ফিরে আসে। তবে যারা থাকতে চান তাদের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেলা শহরে সাধারণ মানের কিছু হোটেল রয়েছে। পদ্মা রিসোর্টে রাত্রিযাপন করলে আপনার ভ্রমণ আরো আনন্দ ও রোমাঞ্চকর হয়ে উঠবে। ঢাকা থেকে দিনে দিনে মুন্সিগঞ্জ ভ্রমণ শেষ করে ফিরে আসা সম্ভব। তাছাড়া জেলাশহরে থাকার সাধারণ মানের কিছু হোটেল আছে। শহরের দু-একটি হোটেল হলো হোটেল থ্রি স্টার (০১৭১৫৬৬৫৮২৯, ০১৭১৫১৭৭৭১৬) এবং হোটেল কমফোর্ট। এসব হোটেল ১৫০-৬০০ টাকায় থাকার ব্যবস্থা আছে। তবে সবচাইতে ভালো পুরো মুন্সীগঞ্জ ঘোরা শেষে পদ্মা রিজর্টে (০১৭১৩০৩৩০৪৯) এসে থাকলে ভালো লাগবে।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!