মাল্টার সুবর্ণভূমি পিরোজপুর

মাল্টার সুবর্ণভূমি পিরোজপুর

মাল্টার সুবর্ণভূমি পিরোজপুর জেলা সুন্দরবনের কোলঘেঁষা কালীগঙ্গা, বলেশ্বর, দামোদর, সন্ধ্যানদী বিধৌত প্রাকৃতিক সবুজের লীলাভূমি। পিরোজপুর বঙ্গোপসাগরের ঔরসজাত জোয়ার-ভাটার পলিরেণুতে গড়া একটি পলল ভূ-ভাগ। সমুদ্রের লোনাজল স্নাত হয়ে গাঙ্গেয় বদ্বীপের দক্ষিণভাগে সাগরবক্ষে একদিন যে মৃত্তিকা উঁকি দিয়েছিল, সেটিই কালক্রমে পরিণত হয়েছে জনপদে, মুখরিত হয়েছে জনকোলাহলে। তবে গাঙ্গেয় বদ্বীপের যে ভূ-ভাগ নিয়ে পিরোজপুর জনপদ গঠিত, সে অঞ্চল অপেক্ষাকৃত বয়সে নবীন ও বাংলাদেশের দক্ষিণভাগে অবস্থিত প্রান্ত ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত।

পিরোজপুর বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত একটি জেলা। ১৮৫৯ সালের ২৮ অক্টোবর পিরোজপুর মহকুমা স্থাপিত হয়। পিরোজপুর মহাকুমা ১৯৮৪ সালে জেলায় রূপান্তরিত হয়। ঢাকা থেকে পিরোজপুর জেলায় যেতে সময় লাগে ১০/১২ ঘন্টা। পিরোজপুর জেলার উত্তরে গোপালগঞ্জ জেলা; উত্তর-পূর্বে বরিশাল ও ঝালকাঠী জেলা; দক্ষিণ-পশ্চিমে বাগেরহাট জেলা এবং দক্ষিণ-পূর্বে বরগুনা জেলা অবস্থিত। এই জেলাটি ভান্ডারিয়া, কাউখালী, মঠবাড়িয়া, নাজিরপুর, পিরোজপুর সদর, নেছারাবাদ ও ইন্দুরকানী – এই সাতটি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত। আয়তন ১২৭৭.৮০ বর্গ কিমি; লোকসংখ্যা ১১.১০ লক্ষ। উপজেলার সংখ্যা ৭টি, থানা ৭টি, পৌরসভা ৩টি, ইউনিয়ন ৫২টি, গ্রাম ৬৪৮টি। 

সুলতানি আমলে মুসলিম শাসক ফিরোজশাহের নামানুসারে বাকলা-চন্দ্রদ্বীপের এ অঞ্চল পরিচিতি পায় ‘ফিরোজপুর’ নামে। বর্তমান পিরোজপুর নামটি এ ‘ফিরোজপুর’ নামেরই অপভ্রংশ বলে গবেষকরা মনে করেন। অন্যমতে, মোগল সম্রাট শাহসূজার অকাল প্রয়াত পুত্র ফিরোজশাহের নামে ‘ফিরোজপুর’ এবং পরে অপভ্রংশ হিসেবে ‘পিরোজপুর’ নামকরণ হয়েছে। লোকসংস্কৃতি হিসেবে জেলার লোক-কাহিনীর মধ্যে গুণাইবিবি, আসমান সিংহের পালা অন্যতম। এছাড়া আমিনা বিবি ও  নছর মালুম, পালার গান, অধর মণি বৈষ্ণবীর গান, অনাথ বন্ধুর গান, আব্দুল গনি বয়াতির গান, কালু মোল্লার গান, খোয়াজ খিজিরের গান, গাজীর গান, কৃষ্ণলীলা প্রচলিত রয়েছে। লোকসংগীতের মধ্যে ভাটিয়ালী, সারিগান, মারফতি গান, মুকুন্দ দাশের গান, পল্লী গীতি, আব্দুল লতীফের গান উল্লেখযোগ্য।

পিরোজপুরের প্রধান শস্য/ফসল-ধান, সুপারি, পান,নারিকেল, পেয়ারা, মাল্টা। প্রধান নদ-নদীঃ দামোদর, কচা, বলেশ্বর, সন্ধ্যা, কালিগংগা, পোনা, গাবখান। পিরোজপুরের ভাষা ও সংস্কৃতির ইতিহাস বেশ প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ। বরিশাল ও খুলনার মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় এই দুই অঞ্চলের ভাষার দ্যোতনা পরিলক্ষিত হয় পিরোজপুরের ভাষায়। তবে পিরোজপুরের কোন আঞ্চলিক ভাষা নেই, নেই কোন বিশেষ ভাষা-ভাষী গোষ্ঠী।

 

দর্শনীয় স্থান

  • ডিসি পার্ক
  • শ্রীগুরু সংঘ আশ্রম, ডুমরিতলা, পিরোজপুর
  • হুলারহাট নদী বন্দর
  • কদমতলা জর্জ হাই স্কুল
  • কবি আহসান হাবিব এর বাড়ি
  • আজিম ফরাজীর মাজার
  • সারেংকাঠী পিকনিক স্পট
  • আটঘর আমড়া বাগান
  • কুড়িয়ানা পেয়ারা বাজার
  • কুড়িয়ানা অনুকুল ঠাকুরের আশ্রম
  • রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি (রায়েরকাঠি রাজবাড়ি)
  • মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ
  • পারেড়হাট জমিদার বাড়ি
  • বলেশ্বর ঘাট শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ
  • স্বরুপকাঠীর পেয়ারা বাগান
  • ভান্ডারিয়া শিশু পার্ক
  • সাপলেজা কুঠি বাড়ি
  • সোনাখালী জমিদার বাড়ি
  • ভাসমান সবজি ক্ষেত মুগারঝোর, বৈঠাকা
  • হরিণপালা রিভার ভিউ ইকোপার্ক, তেলিখালী
  • রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি
  • মঠবাড়িয়ার সাপলেজা কুঠিরবাড়ি
  • পিরোজপুরের প্রাচীন মসজিদ
  • মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ
  • শ্রীরামকাঠী প্রণব মঠ সেবাশ্রম
  • গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাব
  • শেরে বাংলা পাবলিক লাইব্রেরী
  • মাঝের চর মঠবাড়ীয়া
  • পারেড় হাট জমিদার বাড়ী
  • বলেশ্বর ঘাট শহীদ স্মৃতিস্তভ

কিভাবে যাবেন?

রাজধানী ঢাকা থেকে পিরোজপুর সদরের দূরত্ব সড়ক পথে ১৮৫ কিলোমিটার ও জলপথে ২৫৯ কিলোমিটার আর বিভাগীয় শহর বরিশাল থেকে ৫০ কিলোমিটার। এই জেলাটি একটি উপকূলী ও নদীবহুল অঞ্চল হওয়ায় এখানকার যেকোনো স্থানে আসার জন্য নৌপথ সবচেয়ে সুবিধাজনক পরিবহণ ব্যবস্থা। তবে, সড়ক পথেও এখানে আসা সম্ভব; সেক্ষেত্রে ফেরী পারাপার হতে হবে। পিরোজপুরে রেল যোগাযোগ বা বিমান বন্দর নেই বলে এই দুটি মাধ্যমে এখানকার কোনো স্থানে আসা যায় না।

সড়কপথে ঢাকা থেকে পিরোজপুর যাওয়ার পথে মাঝপথে বৃহত্তর পদ্মা নদীর অবস্থান হওয়ার কারণে ঢাকা থেকে সরাসরি পিরোজপুরের কোনো বাস যোগাযোগ নেই। ফেরি পারাপার সার্ভিসের পাশাপাশি লঞ্চ বা স্পিডবোটের মাধ্যমে নদী পারাপারের মাধ্যমে পিরোজপুর যাওয়া যায়।

ঢাকার সায়েদাবাদ ও গাবতলী উভয় বাস টার্মিনাল থেকেই ঢাকা-পিরোজপুর রুটের ফেরি পারাপার গাড়ি রয়েছে। সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো মাওয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে পিরোজপুর যাতায়াত করে। আর গাবতলী থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো পাটুরিয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে পিরোজপুর রুটে চলাচল করে।

জল পথে- ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন একাধিক যাত্রীবাহী লঞ্চ ছেড়ে যায়। সড়কপথের তুলনায় নদীপথে লঞ্চে যাতায়াত আরামদায়ক। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:০০ টা থেকে শুরু করে রাত ৮:৩০ টা পর্যন্ত লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। পরদিন সকাল ৮:০০ টা থেকে ১০:০০ টার মধ্যে লঞ্চগুলো পিরোজপুর গিয়ে পৌছায়। পিরোজপুর হুলারহাট নামক ঘাটে নেমে ঘাট থেকে রিক্সা (ভাড়া ৩০-৫০ টাকা), ভ্যান (ভাড়া ২০-৩০ টাকা) ও টেম্পুযোগে (ভাড়া ২০-৩০ টাকা) পিরোজপুর শহরে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন লঞ্চের পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ-র রকেটও ঢাকা-পিরোজপুর রুটে চলাচল করে। লঞ্চের তুলনায় রকেটে যাতায়াত কিছুটা আরামদায়ক। সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত সপ্তাহের ৫ দিন রকেট চলাচল করে। রকেটগুলো প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:৩০টায় সদরঘাট থেকে ছেড়ে গিয়ে পরদিন সকাল ৮:০০টা থেকে ১০:০০টার মধ্যে পিরোজপুরের হুলারহাট ঘাটে গিয়ে পৌছায়।

 

রাত্রী যাপন

আবাসিক হোটেল

ক্র.নং নাম ঠিকানা তারকামান যোগাযোগ
হোটেল রজনী, ক্লাব রোড়, পিরোজপুর এক তারকা ০১৭১২৫৬২২৪১
হোটেল রিল্যাক্স, হাসপাতাল রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৮০৭
হোটেল ডালাস, থানা রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৮৫৫
হোটেল বলাকা, ব্রীজ রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৭১০
হোটেল অবকাশ, থানা রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৩৩৩
হোটেল বিলাস, ক্লাব রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৫৯৪
হোটেল রয়্যাল, কলেজ রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০১৭১২৯৪৪৩৩৫
হোটেল ছায়ানীড়, বাজার রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৩৮১
হোটেল সিনথিয়া, কাপুড়িয়া পট্টি, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬৩২৬২
১০ হোটেল আল মদীনা, ইন্দেরহাট বন্দর, নেছারাবাদ এক তারকা ০১৭১২৫১৯০০৯

 

কৃতি ব্যক্তিত্ব

  • খান বাহাদুর হাশেম আলী খান নেছারাবাদ, ১৮৮৮-১৯৬২- বরিশাল জেলা মুসলিম লীগ এবং কৃষক প্রজা পারটির সভাপতি ছিলেন। শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হকের মন্ত্রীসভায় সমবায় ও কৃষি খাতক মন্ত্রী (১৯৪১) ছিলেন।
  • শহীদ নূর হোসেন (১৯৬১ – ১০ নভেম্বর ১৯৮৭)মঠবাড়িয়া – রাজনৈতিক কর্মী ও শহীদ;১০ নভেম্বরকে বলা হয় শহীদ নূর হোসেন দিবস।তার খালি গায়ে লেখা ছিল “স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক”। রাজধানীর জিরো পয়েন্টে তিনি গুলিতে শহীদ হন।
  • খান সাহেব হাতেম আলী জমাদ্দার (১৮৭২-১৯৮২),মঠবাড়িয়া – বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইন সভার সদস্য( ১৯৩৭,১৯৪৬,১৯৬২);কে,এম লতীফ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাতা।
  • মেজর (অবঃ) মেহেদী আলী ইমাম, মঠবাড়িয়া- স্বাধীনতাযুদ্ধের বীর সেনানী,বীরবিক্রম ।
  • করপোরাল আব্দুস সামাদ (মৃত্যু ২০১৮),মঠবাড়িয়া -আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ৮ নং আসামী ছিলেন।
  • সুবেদার তাজুল ইসলাম – আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ৩২ নং আসামী ছিলেন।
  • তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ,ভান্ডারিয়া ১৯১১-১৯৬৯ সাংবাদিকতা ও রাজনীতি পিটি আই-এর পরিচালক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা।
  • মাওলানা নেছার উদ্দীন নেছারাবাদ ১৮৭২-১৯৫২- বহু ইসলামী গ্রন্থ প্রণেতা ও ছারছীনা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা।
  • আহসান হাবীব ,শংকরপাশা, ১৯১৭-১৯৮৫- কবি ও সাংবাদিক
  • বেগম মতিয়া চৌধুরী ,নাজিরপুর ১৯৪২- রাজনীতি বর্তমান কৃষি মন্ত্রী ‘দেয়াল দিয়ে ঘেরা’ বই রচনা করেন।
  • নিরোদ বিহারী নাগ , নাজিরপুর ,১৯৩২-১৯৯১ রাজনৈতিক ও সামাজিক – পুষ্প নিরোধ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা।
  • এনায়েত হোসেন খান ,স্বরূপকাঠী ১৯৩৩-১৯৭৯ রাজনীতি সাবেক এম পি ইউনিয়ন অফ ক্লারিক্যাল এ্যাসিট্যান্স অফ  সেক্রেটারিয়েট ইন ইস্ট পাকিস্তান নামক এক শক্তিশালী সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন।
  • মোয়াজ্জেম হোসেন ,ডুমুরিতলা ১৯৩২-১৯৭১ – লেঃ কমান্ডার স্বাধীনতার অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষা দেয়ার জন্য সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে তিনি একটি গুপ্ত বিপ্লবী সেল গঠন করেন।আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ২ নং আসামী ছিলেন।
  • মেজর জিয়াউদ্দিন আহমদ ,পিরোজপুর ১৯৫০- – নবম সেক্টরের সাব- সেক্টর কমান্ডার সাবেক পৌর চেয়ারম্যান, আফতাব উদ্দিন কলেজ প্রতিষ্ঠাতা।
  • আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ,ভান্ডারিয়া ১৯৪৪ তিনি দশম জাতীয় সংসদ এর পানিসম্পদ মন্ত্রী ছিলেন। এর আগে তিনি বন ও পরিবেশ, যোগাযোগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। তিনি পিরোজপুর-২ আসন থেকে ১৯৮৬,১৯৮৮,১৯৯১,১৯৯৬,২০০১,২০১৪,২০১৮ সালে সংসদ সদস্য হোন।
  • শ ম রেজাউল করিম,নাজিরপুর – আইনজিবী, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি বর্তমানে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী।
  • ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল নাজিরপুর ১৯৩৯- রাজনীতি সাবেক এমপি, সাবেক কৃষি ও ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী(১৯৭৩) ছিলেন
  • শহীদুল আলম নিরু পিরোজপুর ১৯৪৬-২০০৫ রাজনীতি ও  আইনজীবী ।মাওলানা ভাসানীর ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
  • মোস্তফা জামাল হায়দার ,নাজিরপুর ১৯৪২- রাজনীতি সাবেক মন্ত্রী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য।
  • জুয়েল আইচ ,পিরোজপুর – যাদু শিল্পী অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার আন্তর্জাতিক যাদুশিল্পী।
  • খালিদ হাসান মিলু , পিরোজপুর – কণ্ঠশিল্পী জাতীয় পুরস্কার  প্রাপ্ত রেডিও, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র কণ্ঠশিল্পী।
  • দিলীপ বিশ্বাস ,পিরোজপুর – জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক।
  • মুহাম্মদ মিজানুর রহমান – লেখক ও কথাসাহিত্যিক।
  • ফজলে মাহমুদ রাব্বি , জাতীয় দলের ক্রিকেটার
  • জায়েদ খান – অভিনেতা, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
  • জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী – বাংলাদেশের একজন মডেল এবং সুন্দরী প্রতিযোগিতা মিস বাংলাদেশ ২০১৮-এর মুকুটধারী।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!