উত্তরের ঐতিহ্যবাহী জনপদ রংপুর

উত্তরের ঐতিহ্যবাহী জনপদ রংপুর

রংপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিকভাবে ঐতিহ্যবাহী জনপদ। রংপুর জেলা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল ও বিভাগীয় শহর। সুপ্রাচীনকাল থেকে এই জেলা গৌরবময় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ইতিহাসের অধিকারী। রংপুর জেলার উত্তরে লালমনিরহাট, পূর্বে কুড়িগ্রাম, দক্ষিণ-পূর্বেগাইবান্ধা, উত্তর-পশ্চিমে নীলফামারী এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে দিনাজপুর জেলা অবস্থিত। তিস্তা নদীর উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তকে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলা থেকে পৃথক করেছে। রংপুর জেলার মোট আয়তন ২৩৬৭.৮৪ বর্গকিলোমিটার। ৮টি উপজেলা, ৮৩টি ইউনিয়ন, ৩টি পৌরসভা ও ১২১৪টি মৌজা নিয়ে জেলাটি গঠিত। এই জেলার প্রায় ৮০ শতাংশ তিস্তার প্লাবন ভূমি এবং ২০ শতাংশ বরেন্দ্র ভূমির অন্তর্গত। এই অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, যমুনা, ধরলা প্রভৃতি নদ-নদী। রংপুর জেলায় ৮টি উপজেলা হচ্ছে- কাউনিয়া, গংগাচড়া, তারাগঞ্জ, পীরগঞ্জ, পীরগাছা, বদরগঞ্জ, মিঠাপুকুর এবং রংপুর সদর। 

 

প্রাচীন নিদর্শনাবলী ও দর্শনীয় স্থান: কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজভবন, পায়রাবন্দে বেগম রোকেয়ার বাড়ি, মন্থনার জমিদার বাড়ি, কেরামতিয়া মসজিদ, রংপুর যাদুঘর, মাওলানা কারামাত আলী জৈনপুরী (রহ.)-এর মাজার, হযরত শাহজালাল বোখারীর মাজার, তাজহাট জমিদার বাড়ি, কুতুব শাহের মাজার, রায়পুর জমিদারবাড়ি, পাটগ্রামে রাজা নীলাম্বরের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, চন্দনহাট হরি মন্দির, ডিমলা রাজ কালী মন্দির ও মিঠাপুকুর যা মোগল আমলে খনন করা হয়েছে। চিত্তাকর্ষক স্থান তাজহাট রাজবাড়ী, ইটাকুমারী জমিদার বাড়ি, শ্রী জ্ঞানেন্দ্র নারায়ণ রায়ের জমিদার বাড়ি ভিন্নজগত, রংপুর চিড়িয়াখানা, ঘাঘট প্রয়াস পার্ক, চিকলির পার্ক, আনন্দনগর, দেবী চৌধুরাণীর পুকুর, তিস্তা সড়ক ও রেল সেতু, মহিপুর ঘাট, মিঠাপুকুর শালবন,মিঠাপুকুর উপজেলার রানিপুকুর ও লতিবপুর ইউনিয়নের নিঝাল, ভিকনপুর, মামুদপুর তিন গ্রামের সীমানায় অবস্থিত মোঘল আমলের “নির্মিত তনকা মসজিদ”। একই উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নের ফুলচৌকির মোঘল আমলের নির্মিত মসজিদ, সুড়ুং পথ, শালবনের ভিতরের মন্দির, সহ অনেক পুরাতন স্থাপনা আছে এই গ্রামে।

 

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

দেবী চৌধুরানী, হেয়াত মামুদ, মধ্যযুগের কবি, বেগম রোকেয়া, বাংলার মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত, আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ও ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আলহাজ্ব পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও ষষ্ঠ সেনাপ্রধান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এম এ ওয়াজেদ মিয়া, খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী মোহাম্মদ খেরাজ আলী, খাতুনিয়া সার্কুলেটিং লাইব্রেরি, রংপুরের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আফজাল, ভাষা সৈনিক মীর আনিসুল হক পেয়ারা, ভাষা সৈনিক ডা: মো: লুৎফর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ করাচি এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ ড. রেজাউল হক, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ মোতাহার হোসেন সুফী, সাহিত্যিক মুহম্মদ আলীম উদ্দীন, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর এমদাদুল হক মো. মতলুব আলী, সাবেক ডিন, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প সমালোচক, চিত্রশিল্প ও গীতিকার আনিসুল হক, লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক নাসির হোসেন,বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার সানজিদা ইসলাম, বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সদস্য মাহবুব আলম, সাহিত্যিক রফিকুল হক, ছড়াকার, সাংবাদিক চৌধুরী খালেকুজ্জামান, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, আয়কর আইনজীবি, সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খান বাহাদুর শাহ্‌ আব্দুর রউফ, সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান, ১১তম সেনা প্রধান, বাংলাদেশ সেনা বাহিনী কবি সৈকত আজগর কবি মঞ্জু সরকার অধ্যাপক মুহম্মদ আলীম উদ্দীন, সাহিত্যিক প্রফেসর মোহাম্মদ শাহ আলম, সাহিত্যিক কবি বাদল রহমান, কবি সাকিল মাসুদ, উত্তরাঞ্চলের প্রথম সৃজনশীল গ্রন্থ প্রকাশক মনোয়ারা বেগম, নারী সংগঠক মো. মনোয়ার হোসেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাঈদ সাহেদুল ইসলাম, ছড়াকার রেজাউল করিম মুকুল, লেখক শামীম পারভেজ, গল্পকার ও লেখক নূরুননবী শান্ত, গল্পকার ও লেখক রকিবুল হাসান বুলবুল, ছড়াকার ভাস্কর অনীক রেজা, গল্পকার মোস্তফা তোফায়েল, অনুবাদক খাদেমুল ইসলাম বসুনিয়া, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সুরকার হারুন পাশা (কথা সাহিত্যিক), আনওয়ারুল ইসলাম রাজু, সাহিত্যিক, ফোকলোর সংগ্রাহক ও লোক গবেষক।

 

খাবার

রংপুরে খাবারের অনেক জায়গাই রয়েছে। মডার্ন মোড় থেকে সিও বাজার, মাহিগঞ্জ থেকে দর্শনা; পুরনো অনেক জায়গাই আছে যেগুলো প্রবীণদের নস্টালজিয়ায় ভোগায়। তরুণ প্রজন্মের কাছেও রংপুরের এই ফুড হাউজগুলো খুবই জনপ্রিয়।

ঘোষ ভান্ডার:

মিষ্টির জন্য একটি বিখ্যাত দোকান। নিপেন ঘোষের নামানুসারে জায়গাটার নামই হয়ে গেছে নিপেনের মোড়! ঘোষরা পারিবারিক ভাবেই দোকানটা চালাচ্ছে। এখানকার চা টাও বেশ। মিষ্টান্ন প্রেমীদের অবশ্যই ভালো লাগবে। অবস্থান: পায়রা চত্বর, নিপেনের মোড়

সিঙ্গারা হাউজ:

রংপুরের সবচেয়ে জনপ্রিয় সিঙ্গারার দোকান। সিঙ্গারার পাশাপাশি এখানে চা, লাচ্ছি, রস মালাই পাওয়া যায়। এখানে সিঙ্গারা খেতে হলে বেশ খানিকক্ষণ বাইরে অপেক্ষা করতে হবে। ভিড় লেগেই থাকে। এক প্লেট তিনটে খুদে সিঙ্গারার সাথে মিলবে আনকোরা টমেটোর চাটনি।

অবস্থান: সুপার মার্কেট থেকে পায়রা চত্বরের দিকে যেতে ডান পাশের গলিতে ঢুকলেই হবে।

পুষ্টি:

‘পুষ্টির অনন্য সৃষ্টি/ দই ঘি মিষ্টি।’ এই হল পুষ্টির স্লোগান। । রংপুরের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ মিষ্টান্নের দোকান। রসগোল্লা, রসমালাই, দই, সন্দেশ, স্পঞ্জ মিষ্টি থেকে শুরু করে সবই পাওয়া যায়।অবস্থান: সিঙ্গারা হাউজ যাওয়ার গলির মুখেই।

জলযোগ:

পুরনো আরেকটি মিষ্টির দোকান। এখানকার সন্দেশ খুবই প্রসিদ্ধ। জলযোগ নামটাই এখানে কি কি পাওয়া যায় তা বলে দেয়। মূলত সকাল-বিকেল নাস্তা  করার জন্য আদর্শ জায়গা। অবস্থান: বেতপট্টি।

নিরঞ্জন মিষ্টিমুখ:

মাহিগঞ্জে (পুরনো রংপুর) নিরঞ্জনের অবস্থান। মোটামুটি সব ধরণের মিষ্টিই পাওয়া যায়। রংপুরের বাইরের মানুষও নিরঞ্জন থেকে মিষ্টি কিনতে আসেন। নিরঞ্জনে মিষ্টি খেতে যাওয়ার অন্যতম মজা হচ্ছে মাহিগঞ্জ দর্শন। পুরনো ভবনে সেখানে মিলবে ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। মাহিগঞ্জে বেশ কিছু প্রাচীন মন্দির আছে। মাহিগঞ্জ বাজারের পাশেই আছে ১৮৩০ এর দশকে নির্মিত ‘মাহিগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরি’র পরিত্যক্ত ভবন। আর বিখ্যাত তাজহাট জমিদার বাড়িও এখান থেকে পায়ে হাঁটার পথ। উপরি হিসেবে ডিমলার জমিদার বাড়িও দেখে নিতে পারেন।অবস্থান: মাহিগঞ্জ।

চটপটি হাউজ:

জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় দোকান। তরুণীদের প্রায়ই এখানে ভিড় করতে দেখা যায়। ছেলেরা যে এখানে আসে না তাও না। প্রতি প্লটে চটপটি ২০ টাকা। অবস্থান: জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট।

নাড়ুর হোটেল:

নাড়ুর হোটেলের বিশেষত্ব কড়া মিষ্টির এক ধরণের চা।  এখানে গুড়ের মিষ্টি এবং মিষ্টির সিরা দিয়ে খাওয়ার জন্য পুরি পাওয়া যায়। ছোট্ট পরিসরের এই দোকানে ভিড় লেগেই থাকে।অবস্থান: স্টেশন রোড, সোনালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখার বিপরীতে।

মৌবন:

মৌবন নিঃসন্দেহে রংপুরের সেরা বেকারি। এর হোটেল শাখাও কম বিখ্যাত নয়। ইফতারের জন্য এখানে বৈচিত্র্যময় অনেক কিছুই পাওয়া যায়। শুধু রংপুর নয়, এর আশেপাশের অনেক জেলার মানুষের ঈদের ফর্দের অন্যতম অনুষঙ্গ মৌবনের লাচ্ছা সেমাই। অবস্থান: কাচারী বাজার।

বৈশাখী:

বাঙালি খাবারের অন্যতম রেস্তোরা। এর দুটি শাখা আছে। একটি জাহাজ কোম্পানির মোড়ে আরেকটি মেডিকেল মোড়ে ক্যান্ট পাবলিক স্কুলের সামনে। এখানে মোটামুটি সকল ধরণের বাঙালি খাবারই পাওয়া যায়। পরিবেশ সুন্দর। বেশ পারিবারিক আমেজে খাওয়া যায়। বৈশাখীর চা স্পেশাল। বিরিয়ানি থেকে ভাত-মাংসের জন্য একটা সেরা পছন্দ হতে পারে বৈশাখী। অবস্থান: জাহাজ কোম্পানির মোড়, মেডিকেল মোড়।

ঢাকা ফাস্টফুড:

মূলত তরুণ সমাজেই বেশী জনপ্রিয়। বার্গার, ফ্রাইড চিকেন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি পাওয়া যায়। দু’কাপ কফি অথবা দুটো আইসক্রিম নিয়ে মুখোমুখি বসে অনেকটা সময় কাটানো যায়! অল্প বয়সের ছেলে-মেয়েদের খুবই পছন্দের জায়গা। অবস্থানঃ ধাপ, জেল রোড।

মিড নাইট সান:

জনপ্রিয় একটি চাইনিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট হল মিড নাইট সান। ঢাকার নাম করা রেস্টুরেন্টটিরই একটি শাখা এটি। চায়নিজ খাবারের জন্য সুখ্যাত। বেশ সাশ্রয়ী।অবস্থান: ডিসির মোড় (হালের পার্লারের মোড়!)

ক্যাস্পিয়াঃ

সুন্দর ইন্টেরিয়রের চায়নিজ রেস্টুরেন্টটির বয়স বেশী নয়। বাইরে থেকে দেখলেই ভিতরে যেতে ইচ্ছে করে। প্রায় সব জনপ্রিয় চায়নিজ খাবার পাওয়া যায়। দাম চলনসই। রংপুরের তরুণ-যুবার কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর অবস্থানও সহজগম্য।অবস্থান: রংপুর সার্কিট হাউজের সামনে।

খেয়া পার্ক রেস্টুরেন্ট:

পার্কের মতো মুক্ত, প্রাকৃতিক পরিবেশে বসে খাওয়ার জন্য খুব সুন্দর একটা জায়গা। খেয়া পার্ক রেস্টুরেন্টে প্রবেশের জন্য এর পাশ দিয়ে বয়ে চলা শ্যামা সুন্দরী খালের ওপর দিয়ে একটা কাঠের সাঁকো পেরোতে হয়। এতে কাঠ-বাঁশের কেবিনগুলো বাংলার বিখ্যাত নদীগুলোর নাম অনুসরণে রাখা হয়েছে। আইসক্রিম থেকে শুরু করে চায়নিজ ও ফাস্টফুডের প্রায় সব আইটেমই পাওয়া যায়। নিঃসন্দেহে রংপুরের সবচেয়ে প্রাকৃতিক রেস্টুরেন্ট ‘খেয়া পার্ক’।অবস্থান: পার্ক মোড়।

 

যাতায়াত

রংপুর জেলায় সড়ক ও রেল উভয় পথেই ভ্রমণ করা যায়। সড়ক পথে ঢাকা থেকে রংপুরের দূরত্ব ৩৩৫ কিলোমিটার।  ঢাকার মহাখালী, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর এবং গাবতলী থেকে রংপুর যাওয়ার জন্য আগমনী পরিবহন, এস আর,নাবিল, গ্রীন লাইন , টি আর ট্রাভেলস , শ্যামলী, হানিফ, কেয়া সহ কয়েকটি বিলাস বহুল এসি ও নন এসি বাস রয়েছে। ঢাকার কল্যাণপুর ও গাবতলী থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ছাড়ে এসব বাস। এসব বাসগুলো বাসগুলো সাভার হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে রংপুর যাতায়াত করে। পথিমধ্যে যাত্রীদের খাওয়া-দাওয়ার জন্য ১৫/৩০ মিনিটের যাত্রা বিরতি পালন করা হয়। ভাড়া ৫শ’ টাকা থেকে ১২০০  টাকার মধ্যে। এছাড়া কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রংপুর এক্সপ্রেস সোমবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টায় রংপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। রংপুরে ট্রেন ভাড়া ২শ’ থেকে ৯শ’ টাকা। ঢাকা থেকে রংপুর আসতে সময় লাগবে সাড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা। ট্রেনে লাগবে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা।

 

এই রুটে চলাচলকারী বাসসমূহ

পরিবহনের নাম যোগাযোগ
টি আর ট্রাভেলস ০২-৮০৩১১৮৯
এস আর ট্রাভেলস ০২-৮০১৩৭৯৩, ৮০১৯৩১২, ০১৭১১-৩৯৪৮০১
শ্যামলী পরিবহন ০২- ৮৩৬০২৪১,০১৭১৬-৯৪২১৫৪
বাবলু এন্টারপ্রাইজ ০১৭১১-১১৯৩৭২,০১৭১৬৯৩২১২২,০১৮১৭০৮২৮০২
আগমনী ০১৭১২০৮৩৬৫৩,০১৭২৭২১৫০৮৩,০২-৮০১৩১৪৯
কেয়া পরিবহন ০২-৯০০০৮১২, ০১১৯৩-২৫৫৯৪৪ ০১৭১১-১১৮৪০২
নাবিল পরিবহন ০১৭২৬৭১৭২২৬
এস এ পরিবহন ০১৯১৬৭১২৬১৪,১৯১৫৩৭৫৮৮৭

 

রেলপথে ভ্রমণ

ঢাকা থেকে রংপুর রুটে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। সপ্তাহে ৬ দিন ঢাকা – রংপুর- ঢাকা রুটে চলাচল করে। সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রবিবার।

যোগাযোগ

কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন

ফোন নম্বর: ৯৩৫৮৬৩৪,৮৩১৫৮৫৭, ৯৩৩১৮২২

মোবাইল নম্বর: ০১৭১১৬৯১৬১২

বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন

ফোন নম্বর: ৮৯২৪২৩৯

ওয়েবসাইটwww.railway.gov.bd

 

 

প্লেনে ভ্রমণ

ঢাকা থেকে সৈয়দপুর হয়ে রংপুর যাওয়া যায়।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!