টাঙ্গাইল

নদী চর খালবিল গজারির বন

টাংগাইল শাড়ি তার গর্বের ধন।

যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত টাঙ্গাইল একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। বহু অতীত ঐতিহ্য আর বাংলার চির পরিচিত লোক-সংস্কৃতি ইতিহাসে ক্রমধারার উত্তরাধিকারী। প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্যে আর লোক-সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যে টাঙ্গাইল জেলার অবস্থান অনেক উঁচুতে। টাঙ্গাইলের লোক-ঐতিহ্য নিয়েও প্রবাদ বচন রচিত হয়েছে। যেমন- ‘চমচম, টমটম ও শাড়ি, এই তিনে টাঙ্গাইলের বাড়ি।’ প্রবাদ প্রবচনের ছড়াটিতে টাঙ্গাইলের তিনটি লোক ঐতিহ্যের কথা উঠে এসেছে। টাঙ্গাইলের তৈরি চমচম মিষ্টি আর তাঁতের শাড়ি পৃথিবী খ্যাত। টমটম গাড়িও একদা ছিল টাঙ্গাইলের লোক ঐতিহ্যের উল্লেখযোগ্য যানবাহন।টাঙ্গাইল তথা বাংলাদেশের লোক ঐতিহ্যের দুইটি প্রধান নিদর্শন হলো- মাটির মৃৎপাত্রের ফলক আর নক্শী কাঁথা।

বর্তমান টাঙ্গাইল জেলা অতীত যমুনা নদীর বুকে নতুন জেগে ওঠা চর এলাকার সমষ্টি। এখানে ছোট্ট ছোট্ট জনগোষ্ঠী বসবাস শুরু করে যার অধিকাংশই ছিল পাশ্ববর্তী উত্তরবঙ্গের অর্থাৎ যমুনার পশ্চিম পাড়ের অধিবাসী। অতীত কাল থেকেই বহু ভাঙ্গাগড়া ও রাজনৈতিক দখল-বেদখল, চড়াই উৎরাই পেরিয়ে যে এলাকা আজ টাঙ্গাইল জেলা বলে পরিচিত লাভ করেছে, টাঙ্গাইল হিসাবে তার গঠন ও স্বতন্ত্র পরিচয় ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত পাওয়া যায় না। অর্থাৎ এই ভূমিতে জন বসতি পুরাতন হলেও টাঙ্গাইল নামটি সাম্প্রতিক।

টাংগাইল জেলা ঢাকা হতে প্রায় ৯২ কি মি দূরে অবস্থিত। এই জেলার পূর্বে রয়েছে ময়মনসিংহ ও গাজীপুর জেলা, পশ্চিমে সিরাজগঞ্জ জেলা, উত্তরে জামালপুর জেলা, দক্ষিণে ঢাকা ও মানিকগঞ্জ জেলা। এর আয়তন ৩৪১৪.৩৮ বর্গ কি.মি.। উপজেলার সংখ্যা ১২ টি (টাঙ্গাইল সদর,মধুপুর, গোপালপুর, ভূঞাপুর, ঘাটাইল,কালিহাতী, দেলদুয়ার, নাগরপুর, মির্জাপুর, সখিপুর, বাসাইল ও ধনবাড়ী), পৌরসভা- ১১টি, থানা- ১৪, ইউনিয়ন-১১৮, মৌজা-১৮৫৫, গ্রাম- ২৪২৯, মহল্লা- ২৩৯টি, সংসদীয় আসন- ৮টি। জনসংখ্যা মোট ৩৭,৪৯,০৮৫, স্বাক্ষরতার হার, মোট ৪৬.৮%

যমুনা, ধলেশ্বরী, ঝিনাই, বংশী, লৌহজং, তুরাগ টাঙ্গাইলের উল্লেখযোগ্য নদী। লোকসংস্কৃতি হিসেবে এ জেলায় নবান্ন, পৌষ সংক্রান্তী, বারুনী, অষ্টমী, নৌকবাইচ উল্লেখযোগ্য লোকউৎসব। ধূয়া, জারি, সারি, রাখালী, বারোমাসী, পালাগান, পল্লীগীতি, ভাটিয়ালী, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদী, মারফতী, বিচার, ভারা বানার গান, ভূত ছাড়ানোর গান, বিয়ের গান, ঘাটুগান, কবিগান, বাউলগান প্রভৃৃতি লোকসঙ্গীত বেশ জনপ্রিয়। এছাড়া এ জেলায় লাঠিবাড়ি, নৌকাবাইচ, কাবাডি, ভাড়া ভুঁডা, চঙ্গদৌড়, ষাঁড়ের লড়াই, ঘোড়দৌড়, ঢোপবাড়ী, গামছাবাড়ী, টুংকী বাড়ী সহ নানা ধরনের লোকক্রীড়ার প্রচলন রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে গণকবর ৪ (নাগরপুর, মির্জাপুর, গোপালপুর, ভূয়াপুর); বধ্যভুমি ২ (মির্জাপুর, গোপালপুর); স্মৃতিসৌধ ৩ (টাঙ্গাইল সদর, ভূয়াপুর, বাসাইল); স্মৃতিস্তম্ভ ২ (সখীপুর, গোপালপুর); স্মৃতিফলক ১ (ঘাটাইল উপজেলার মাকরাই কুমার পাড়া)।

দর্শনীয় স্থান

  • রাবার বাগান, পীরগাছা, টাঙাইল
  • ফালুচাঁদ চীশতি-এর মাজার – সখিপুর উপজেলা
  • আতিয়া মসজিদ
  • মধুপুর জাতীয় উদ্যান
  • যমুনা বহুমুখী সেতু
  • আদম কাশ্মিরী-এর মাজার
  • মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার
  • পরীর দালান / হেমনগর জমিদার বাড়ি
  • খামারপাড়া মসজিদ ও মাজার
  • ঝরোকা
  • সাগরদীঘি
  • গুপ্তবৃন্ধাবন
  • পাকুটিয়া আশ্রম
  • ভারতেশ্বরী হোমস
  • মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ
  • পাকুল্লা মসজিদ
  • আরুহা-শালিনাপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
  • নাগরপুর চৌধুরীবাড়ী
  • পুন্ডরীকাক্ষ হাসপাতাল
  • উপেন্দ্র সরোবর
  • গয়হাটার মঠ
  • তেবাড়িয়া জামে মসজিদ
  • এলেঙ্গা রিসোর্ট
  • যমুনা রিসোর্ট
  • কাদিমহামজানি মসজিদ
  • ঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ি
  • করটিয়া সা’দত কলেজ
  • কুমুদিনী সরকারি কলেজ
  • বিন্দুবাসিনী বিদ্যালয়
  • দোখলা ভিআইপ রেস্ট হাউস
  • পীরগাছা রাবারবাগান
  • ভূঞাপুরের নীলকুঠি
  • শিয়ালকোল বন্দর
  • ধনবাড়ী মসজিদ ও ধনবাড়ী নবাব প্যালেস
  • নথখোলা স্মৃতিসৌধ
  • বাসুলিয়া
  • রায়বাড়ী
  • কোকিলা পাবর স্মৃতিসৌধ
  • মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ
  • ধলাপাড়া চৌধুরীবাড়ী
  • মহেরা জমিদার বাড়ি
  • রাধা কালাচাঁদ মন্দির
  • পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী
  • বনগ্রাম গনকবর
  • স্বপ্ন বিলাস (চিড়িয়াখানা)
  • মোকনা জমিদার বাড়ী
  • তিনশত বিঘা চর
  • ভারতেশ্বরী হোমস
  • বায়তুল নূর জামে মসজিদ
  • দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি
  • নাগরপুর জমিদার বাড়ি
  • এলাসিন ব্রিজ
  • ডিসি লেক
  • সোল পার্ক
  • ২০১ গম্বুজ মসজিদ
  • চারান বিল

 

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

  • আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  • শামসুল হক
  • প্রতুল চন্দ্র সরকার
  • নবাব বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, (২৯ ডিসেম্বর, ১৮৬৩ -১৭ এপ্রিল, ১৯২৯) – ধনবাড়ীর নবাব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা;
  • আবদুল হামিদ খান ভাসানী, (ডিসেম্বর ১২, ১৮৮০-নভেম্বর ১৭, ১৯৭৬) – ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক;
  • অমৃতলাল সরকার (১৮৮৯ – ৪ এপ্রিল, ১৯৭১) – ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব, বিপ্লবী অনুশীলন দলের সভ্য;
  • প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ, (১৮৯৪ – ২৯ মার্চ, ১৯৭৮) – শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী, রাজনীতিবিদ ও প্রখ্যাত সাহিত্যিক।
  • দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহা (নভেম্বর ১৫, ১৮৯৬ – মে ৭, ১৯৭১) বাংলাদেশের বিখ্যাত সমাজসেবক এবং দানবীর;
  • বেগম ফজিলতুন্নেসা জোহা, (১৮৯৯ – ২১ অক্টোবর, ১৯৭৭) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলমান ছাত্রী ও ঢাকা ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।
  • সৈয়দ হাসান আলী চৌধুরী, (১৯১০ – ৩০ মে , ১৯৮১) বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব বাংলা) টাঙ্গাইলস্থ ধনবাড়ীর নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর কনিষ্ঠ পুত্র।
  • প্রতুল চন্দ্র সরকার, (২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯১৩ – ৬ জানুয়ারি ১৯৭১) ভারতবর্ষের বিখ্যাত জাদুকর। তিনি অন্যতম একজন আন্তর্জাতিক জাদুকর ছিলেন যিনি ১৯৫০ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত তার জাদু দেখিয়েছেন।
  • শামসুল হক, (১ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮ – ১৯৬৫) বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক৷
  • বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, (জানুয়ারি ৩১, ১৯২১ – আগস্ট ১, ১৯৮৭) বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিসনের সাবেক চেয়ারম্যান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য।
  • শাহজাহান সিরাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতার ইস্তেহার পাঠক, রাজনীতিবিদ। ১ মার্চ ১৯৪৩ খ্রি. জন্মগ্রহন করেন। ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন আ স ম আবদুর রব। সেখান থেকেই পরবর্তী দিনে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের পরিকল্পনা করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩ মার্চ ১৯৭১ পল্টন ময়দানে বিশাল এক ছাত্র জনসভায় বঙ্গবন্ধুর সামনে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছিলেন শাজাহান সিরাজ।
  • আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী রাজনীতিবিদ। ১৯৩৯ খ্রি. জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী এর বড় ভাই।
  • কানাইলাল নিয়োগী (১৯২৪ -১৯ মে ১৯৬১) ভারতের বরাক উপত্যাকায় বাংলা ভাষা আন্দোলনে নিহত ব্যক্তি।
  • প্রতিভা মুৎসুদ্দি (জন্মঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৩৫) বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ ও ভাষা সংগ্রামী। শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন।
  • রফিক আজাদ, (জন্ম: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১) একজন বাংলাদেশী কবি, মুক্তিযোদ্ধা ও সম্পাদক।
  • বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী (জন্ম: ১৯৪৭) ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাঘা কাদের নামে পরিচিত ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বে কাদেরিয়া বাহিনী গড়ে ওঠে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক। স্বাধীনতার যুদ্ধে তার অসান্য অবদানের জন্য তাকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকলেও ১৯৯৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেন এবং কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নামক রাজনৈতিক দল গঠন করেন। তিনি এই দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
  • খন্দকার আব্দুল বাতেন ,
  • মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অধিনায়ক, বাতেন বাহিনীর প্রধান, সাবেক সংসদসদস্য টাঙ্গাইল-৬
  • মামুনুর রশীদ,  একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের মঞ্চ আন্দোলনের পথিকৃত।
  • মান্না, (১৯৬৪ – ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০০৮ বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ও চলচ্চিত্র প্রযোজক ছিলেন।
  • ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য- বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ,রিসার্চ ফেলো অব সিপিডি।
  • মির্জা মাজহারুল ইসলাম
  • বিজ্ঞানী মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম
  • আব্দুল হামিদ খান ইউস্ফজী
  • রিয়াজউদ্দিন আহম্মদ মাশহাদী
  • নওশের আলী খান ইউস্ফজী
  • হেমচন্দ্র চৌধুরী
  • ওয়াজেদ আলী খান পন্নী প্রতিষ্ঠাতা, বঙ্গের আলীগর খ্যাত, সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, করটিয়া। 
  • সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  • হাতেম আলী খান
  • মন্মথনাথ রায় চৌধুরী
  • শাহজামান
  • মৌলভী মোহাম্মদ নঈমউদ্দিন
  • সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী
  • স্যার আবদুল করিম গজনবী রাজনীতিবিদ। অবিভক্ত বাংলার মন্ত্রী ১৯১৩-১৯১৯ সাল পযর্ন্ত। দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি। 
  • রজনীকান্ত গুহ
  • স্যার আবদুল হালিম গজনবী রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক। স্যার আবদুল করিম গজনবী এর কনিষ্ট ভাই।
  • মুফাখখারুল ইসলাম
  • অধ্যাপক মফিজ উদ্দিন আহমেদ
  • আলীম আল রাজী
  • শামসুল আলম
  • আবদুস সাত্তার
  • আব্দুল মান্নান
  • অধ্যক্ষ হুমায়ুন খালিদ
  • অতুল চন্দ্র গুপ্ত
  • জাহ্নবী চৌধুরানী
  • রানী দিনমনি চৌধুরানী
  • আবু কায়সার
  • কামাক্ষা নাথ সেন
  • নরেশ চন্দ্র সেনগুপ্ত
  • প্রমথনাথ রায় চৌধুরী
  • বস্কিম চন্দ্র সেন
  • ভবানী প্রসাদ
  • খন্দকার আসাদুজ্জামান
  • রসিক চন্দ্র বসু
  • লোকমান হোসেন ফকির
  • মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান – বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ।
  • শ্রীনাথ চন্দ্র
  • মহিম চন্দ্র ঘোষ
  • অনুপম ঘটক
  • মোসলেমউদ্দিন খান
  • সৈয়দ রেদওয়ানুর রহমান
  • বিনোদ লাল
  • অমরেন্দ্র নাথ ঘোষ
  • ভূবনেশ্বর চক্রবর্তী
  • তারাপদ রায়
  • ব্যারিস্টার শওকত আলী খান
  • বিচারপতি দেবেশ ভট্টাচার্য (জন্ম: ৩ নভেম্বর ১৯১৪ – মৃত্যু: ২ ফেব্রুয়ারী ২০০৪)
  • লায়ন নজরুল ইসলাম
  • মোহাম্মদ নইমুদ্দীন
  • আকিকুন নিসা
  • বিসু মিয়া
  • ড. আশরাফ সিদ্দিকী
  • মীর আবুল খায়ের
  • কুমুদিনী মিত্র
  • রূপনারায়ণ ঘোষ
  • শাহ করম আলী
  • শাহ একিন
  • বিনোদ লাল দে
  • সিরাজ উদ্দিন চৌধুরী
  • নরেশ গুহ
  • শামসুর রহমান খান শাহজাহান
  • খন্দকার মোহাম্মদ আলী
  • গিরিজাশস্কর রায় চৌধুরী
  • অমরেন্দ্র নাথ ঘোষ
  • গোপিনাথ কবিরাজ
  • আবু কায়সার
  • সাইয়িদ আতীকুল্লাহ
  • আবদুল করিম খান
  • আদম কাশ্মিরী
  • ড. এমএন হুদা
  • ড. সতীশ চন্দ্র দাশ গুপ্ত
  • দক্ষিণা রঞ্জণ মজুমদার
  • মাওলানা আহমদ আলী আকালুভী
  • অধ্যক্ষ বন্দে আলী মিয়া
  • এস এম নজরুল ইসলাম, ওয়ালটন এবং মার্সেল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা।
  • ইন্দিরাদেবী রায়চৌধুরী
  • খায়রুল ইসলাম
  • এইচ এম দুলাল সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রশিক্ষক

কীভাবে যাবেন?

আকাশপথ-এখানে কোন বিমানবন্দর না থাকায় সরাসরি আকাশপথে ভ্রমণ সম্ভব নয়।

সড়কপথ- রাজধানী শহরের সংগে সরাসরি বাস যোগাযোগ আছে। আন্তঃজেলা বাস যোগাযোগব্যবস্থা আছে। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল রুটে যে কয়েকটি বাস চলাচল করে তার মধ্যে নিরালা পরিবহন অন্যতম।

কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ রুটে যে কয়েকটি ট্টেন চলাচল করে যমুনা এক্সপ্রেস ও অগ্নিবীনা তার মধ্যে অন্যতম।

 

খাবার

 

রাত্রীযাপন

 

 

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!